দেশে সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই : শেখ হাসিনা

0
46

211725hasina_naaসাম্প্রতিক কিছু হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশে সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। তিনি বলেন, ‘দেশে সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই এবং সন্ত্রাসীদের কোনভাবেই এদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

আমরা বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আইডিয়াল সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কাজী একরামুদ্দিন আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী মুহম্মদ ফারুক খান এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও এস এম কামাল হোসেন, কোটালিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার ও কোটালিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সুভাস চন্দ্র জোয়ার্দ্দার সমাবেশে বক্তৃতা করেন।

এরআগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপজেলার ১শ’টি প্রাথমিক এবং ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ কম্পিউটার ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথাকথিত আন্দোলনের নামে সরকার উৎখাতে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট গুপ্তহত্যা ঘটিয়ে চলেছে। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার পর তারা দেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকা- শুরু করেছে।

তিনি বলেন, তারা বেছে বেছে সাধারণ মানুষকে তাদের হত্যার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। তারা মসজিদের ইমাম, গীর্জার পাদ্রী, মন্দিরের পুরোহিত, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের হত্যা করে দেশকে অস্থীতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি আমাদের সাবেক পরাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির এক কাজিনকে হত্যা করা হয়েছে। তার কি দোষ ছিল? সে কি অপরাধ করেছে? নাকি দীপু মনির কাজিন হওয়াই তার অপরাধ?

তিনি এ প্রসঙ্গে মসজিদের ইমাম ও পরিবারের অভিভাবকদের আরো সচেতন ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে বলেন, ইসলাম কোনভাবেই হত্যাকে সমর্থন করে না। ধর্মের এই মর্মবাণী সবাইকে বোঝাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলাম শান্তি ও সহিষ্ণুতার ধর্ম, ইসলাম আমাদের ধৈর্যধারণ করার শিক্ষা দেয়। আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ধর্ম নিয়ে বাড়াবার্ড়ি পছন্দ করতেন না। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে যেন আঘাত না করা হয় তিনি সে পরামর্শই দিতেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here