সেন নদীর বুকে ল্যুতেস (প্যারিস)

0
54

সেন নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল বর্তমানের আধুনিক নগরী প্যারসি। নগরীর ইতিহাস প্রায় ২০০০ বছরের বেশি পুরানো। প্যারিসের গলস্ আদিবাসীরা এখানে গোড়াপত্তন করেন খ্রীষ্টপূর্ব ২৫০ এবং ২০০ সালে। এখানকার একটি দ্বীপ ও নদীকে কেন্দ্র করে একটি মৎস গ্রাম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এ নদীর বর্তমান নাম ইলেডেলা সিটি, আর এটাই হল মূলত সেই প্রধান স্থান, যাকে কেন্দ্র করে প্যারিস নগরী গড়ে উঠেছে।

প্রাচীন সময়ে এ নগরীটি লুতিয়া নামে অধিক পরিচিত ছিল। জুরিয়াস সিজার এ নগরিটি দখল করেন। খ্রীষ্টপূর্ব ৫২ সালে এবং তৎকালীন রোমানদের অধীন একটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করে যা মধ্যযুগের শুরু পযন্ত বলবৎ থাকে। ৯৮৭ সালে, হগ কাপেট, প্যারিস নগরীকে কেন্দ্র করে ফ্রান্সের রাজা হন এবং তার দখলে থাকাবস্থায় জাতীয় রাজধানী হিসেবে ক্যাপিটিয়ান শহর প্রতিষ্টিত হয়। নিজস্ব শক্তি এবং দক্ষতায় বলীয়ান হয়ে প্যারিসের জনগণ ১৩৫৫-১৩৫৮ সালের ইউটাইন মারকেল এর নেতৃত্বাধীনে প্রথম নিজেদেরকে স্বাধীন হসিাবে ঘোষনা দেয়। ১৭৮৯ সালে ফ্রান্স বপ্লিবরে সময় প্যারিসের জনগণের আক্রমনের প্রধান হাতিয়ার ছিল সুদুর প্রাচীর। ১৮৩০ এবং ১৮৪৮ সালের বপ্লিবরে সময়ও প্যাসি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১৮৭১ সালে ফ্রান্স-রাশিয়া যুদ্ধের সময় ফ্রান্সরা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত শহরটি অবরুদ্ধ ছিল। পরে যখন র্জামান অবরোধ তুলে নেয়, তারপর খুব দ্রতই কমন অব প্যারিস প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় জার্মানরা প্যারিসে ঢুকতে বাধাগ্রস্থ হয় কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ থেকে ১৯৪৪ পর্যন্ত নগরীটি থাকে সম্পূর্ণ দখলে। প্যারিস ১৯৬৮ সালে পুনরায় ছাত্র-বি্দ্রোহে ধ্বংসজজ্ঞে মেতে উঠে।

আজকের দিনের প্যারিস এর গুরুত্ব, বৈশিষ্ট্য  এবং শিল্প শৈলী যথার্থই নিয়ন্ত্রণ করে যদিও কাঠামোগত পরিবর্তন হচ্ছে যেমন বিউবর্জ এবং উচ্চাকাংখিত বিশাল প্রজেক্ট বিল্ডিং প্রোগ্রাম যা ফ্রান্স সরকারের তত্তাবধানে করা হচ্ছে। যা ডিফেন্স আর্চ এবং বাসটাইল অরোর সাথে তুলনা করে, মেটিরেন্ড প্রকল্প নতুন একমাত্র যার প্রকৌশলী আই.এম.পি এই লা ভেলেটি কমপ্লেক্স শহরের উত্তর র্পূবাঞ্চলের শেষ প্রান্তে এবং দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বায়োলজিক ডি ফ্রান্স, যা একটি কম্পিউটারাইজড লাইব্রেরী।

প্যারিস এবং প্যারিস রেসিন এই আঞ্চলিক পরিকল্পনা মেইন নদী উপত্যাকায় একটা বড় অংশের এলাকা অন্তভূক্ত করেছে যা সব রাস্তা গিয়ে মিলিত হয়েছে নদীর মোহনায়। মেইন নদীর পার্শেও করিডোরকে কেন্দ্র করেই নতুন শহর, পার্ক বাণিজ্যিক এলাকা এবং বর্ধিত শহরের নিত্যনতুন বিষয়সমূহ বর্ধিত হচ্ছে। প্যারিসের প্রতিটা স্থানই পর্যটকদের আকর্ষণীয় এবং প্রতিটা ইমারতেই লুকিয়ে আছে নানা কাহিনী।

Tour Eiffeil / Trocadero  ট্রোকাদেরো। Louvres ল্যুভস মিউজিয়াম, Anvers- এনভারস আরো কত কি। Montmartre (মনমাত্রে) ছিল ফ্রেন্স কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পকলার প্রধান কেন্দ্রস্থল প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মাঝামাঝি সময়কাল, পিকাসো, দুসামপস, ঢালী এবং আরো অনেকেই বসবাস করেছিল এখানে।

Invalides – ফ্রেন্স জাতীয় সংসদের ঠিক উল্টো পাশেই Invalides প্রসাদ যা নেপেলিয়নের সমাধী এবং বর্তমানে ফ্রেন্স আর্মি হসপিটাল

Tour Eiffeil / Trocadero  ১৮ থেকে ১৯ শতকে ইউরোপ মহাদেশে প্রতিটি দেশই তাদের চিরšতন দশর্নীয শিল্পকলা স্থাপত্যে মেতে উঠেছিল। ঠিক তখন ইঞ্জিনিয়ার Gustave Effeil এর তত্ত¡াবধানে গড়ে উঠেছিল Eiffeil Towerm, লোহা দিয়ে তুলনামূরক অধিক শক্তিশালী সুউচ্চ এমন স্থাপত্য গড়া যায় এবং মূরত প্রদর্শনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। পরে তা ভেঙ্গে ফেলার কথা ছিল কিন্তু তৎকালীন ফ্রেঞ্চ রাষ্ট্র কর্ণধার ও জনগণের ইচ্ছা পোষন হয় যে না আমরা এই টাওয়ার এখানে রেখে দেবো, এখনও তা কালে দক্ষতা নিয়ে দাড়িয়ে আছে।

Anvers পাহাড়ি ছোট টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে জকমকে এই চার্চ। প্রায় ২৫০ ফিট উঁচু। অনেক বড় জায়গা নিয়ে অবস্থিত। এখানে বিদেশী পর্যটকরা সন্ধ্যায় একত্রিত হয়। এনভার্স থেকে পুরো প্যারিসের সৌন্দর্য উপবোগ করা যায়। দূরবিন ভাড়ায় পাওয়া যায়। ছোট ছোট দল বেধে বাধ্য বাজিয়ে নানা আনন্দে মেতে থাকা সময়টা বেশ ভালই লাগে প্যারিসের প্রতিটা দর্শনীয় স্থান মাটির নিচে মেট্রোতে চড়ে বেড়ানো খুব সহজ তবে ইংরেজী ভাষায় গাইড বই থাকা ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here