ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করলো যুক্তরাষ্ট্র আ‘লীগ

IMG_5336নিউইয়র্ক: যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বাংলাদেশের প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রয়াত স্বামী ড.ওয়াজেদ মিয়ার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। গত ১১ মে বুধবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি পার্টি হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বশারত আলী। ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ এর পরিচলনায় দোয়া মাহফিল পরিচলনা করেন কারী আব্দুল কায়্যুম।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সামসুউদ্দিন আজাদ, উপদেষঠা ডা মাসুদ, প্রবাসী সম্পাদক সোলেমান আলী, যুব সম্পাদক মাহাবুব রহমান টুকু, সদস্য হিল্লোল কাদির বাপ্পা, শরিফ কামরুল আলম হিরা, আব্দুল হামিদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহানাজ মমতাজ, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, সাধারন সম্পাদক জাতীয় পাটি যুক্তরাস্ট্র, যুক্তরাস্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, ফরিদ আলম, প্রচার সম্পাদক গনেশ কিত্তনিয়া, শ্রমিক লীগের টি মোল্লা, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রণেল, কবির আলী ।
বক্তারা ড. ওয়াজেদ মিয়ার বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়া তাঁর মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে জনগণের কল্যাণে যে কাজ করে গেছেন জাতি তা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া তাঁর কর্মের জন্য শুধু আমাদের কাছে নন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বেঁচে থাকবেন। বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে ড. ওয়াজেদ মিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের পাথেয় হয়ে থাকবে।’
ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফ্রেরুয়ারি বৃহত্তর রংপুরের লালদিঘীর ফতেহপুরে এক
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
তার পিতা মরহুম আব্দুল কাদের মিয়া ও মাতা মরহুমা ময়জুনেসার চার পুত্র ও তিন কন্যার মধ্যে তিনি ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিও পীরগঞ্জ থানা হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন শেষে তিনি ১৯৫২ সালে রংপুর শহরের সরকারি জিলা স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে ওই স্কুল থেকে ডিস্টিংশনসহ ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-’৬২ শিক্ষাবর্ষে হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হন। ১৯৬৩ সালের ১ এপ্রিল তিনি তৎকালীন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কমিশনের চাকরিতে যোগদান করেন। ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষা বছরে তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের ‘ডিপ্লোমা অব ইম্পেরিয়াল কলেজ কোর্স’ কৃতিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করেন। ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের ‘ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলে তাকে ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার আণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রে পদায়ন করা হয়।-বিজ্ঞপ্তি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here