বাংলাদেশে বাস করেও অনেকে কিন্তু জানেন না ……

সেজান মাহমুদের ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে

সেজান মাহমুদ
সেজান মাহমুদ

সেজান মাহমুদ:বাংলাদেশে বাস করেও অনেকে কিন্তু জানেন না বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা মিডিয়া এগুলোর মালিক কারা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল, মানারাত ইউনিভার্সিটি, আল ফালাহ, ইবনে সিনা, স্কলাস্টিকা, হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, এইসব শিক্ষাপ্রতিস্থানের মালিক কারা? কাদের টাকায় চলে এইসব প্রতিষ্ঠান? সাধারণ নাগরিকেরা দেখেন বাচ্চাকাচ্চা ধর্মীয় কায়দায় ভাল পড়ালেখা করছে, বিদেশে যাচ্ছে, ভাল রেজাল্ট করছে ক্ষতি কি? কিন্তু এভাবেই সমাজ পরিবর্তন করে ক্ষমতা দখলের বিশদ পরিকল্পনা করেছিল জামাত-ই-ইসলাম। এটা নতুন কিছু নয়। এইসব স্কুলগুলোতে একসময় পড়ানো হতো বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫-ই আগস্ট। কোন কোন স্কুলে জাতীয় সংগীত গাওয়া হতো না কারণ তা অমুসলিমের লেখা। শুধু তাই নয় কৌশলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিল্পী সমাজ, এমন কি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঢুকে কীভাবে ক্ষমতা দখল করা যায় তার জন্যেও এদের বিশদ পরিকল্পনা আছে।
দেখুন এইসব প্রতিষ্ঠান কাদের। যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর আমির কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর পরিবারের মালিকানাধীন মানারাত ইউনিভার্সিটি, সিলেটের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী-জামাত নেতা রাগীব আলীর মালিকানাধীন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ঢাকায় তুরস্কের মালিকানাধীন টার্কিশ হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং জামাতপন্থি ব্যবসায়ী পরিবারের আংশিক মালিকানাধীন স্কলাস্টিকা স্কুল। ইবনে সিনা জামাতের মালিকানাধীন। এরকম আরও অনেক। একজন জঙ্গির বাবা নাকি আওয়ামীলীগের কমিশনার প্রার্থীও ছিল। 

কিন্তু বাংলাদেশে যখন ব্লগার হত্যা শুরু হলো তখন বড় বড় লেখক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ কাউকে মুখ খুলতে দেখলাম না। আজকে দুএকজন জনপ্রিয় লেখক কাঁদতে বসে গেছেন কারণ তিনজন শিল্পপতির সন্তান নিহত, যাদের কাছে আবার পেটের দায়, নিজেদের ভাগ্য গচ্ছিত। এই যে আমাদের একচক্ষুপনা এটাই কাল হয়ে ফিরে আসছে আমাদের কাছে। অথচ সাংবাদিকেরা বা লেখকেরা এইসকল তথ্যগুলো মানুষকে আগে থেকেই জানাতে পারতেন, মানুষকে সচেতন করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারতেন, এমন কি এইসব তরুণ জঙ্গিদের ভুল পথ থেকে সরাতে সাহায্য করতে পারতেন। কিন্তু তাঁরা করেননি। যেমন করেননি রাজনৈতিক দলগুলো। বরং দেশের ধর্ম নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরে এসে ধীরে ধীরে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মভিত্তিক দেশ এবং সমাজ বানিয়ে ফেলছেন বাংলাদেশকে।

ধর্ম কি নৃশংসতা শেখায়? উত্তর না। আবার উত্তর হলো হ্যাঁ। কারণ, চিরকাল ক্ষমতা আর প্রতিপত্তির জন্যে ধর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। যদি আলৌকিক কোন কিছুকে নিজেদের মতো করে বাস্তবায়ন করি যাতে ক্ষমতা বা সম্পদ পাওয়া যায় তাহলে তা তো ভয়াবহ হবেই। এজন্যেই ইতিহাসে দেখা যায় খ্রিশ্চিয়ান, ইহুদী, হিন্দু সব ধর্মীয় সমাজেই নৃশংতা হয়েছে ধর্মের নামে। আর ইসলাম ধর্ম এই অভিযোগে বেশি অভিযুক্ত, কারণ একমাত্র ইসলাম ধর্মেই রাজনৈতিক ক্ষমতা নিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলা আছে। সুতরাং ভেবে দেখুন, আপনি কোরানের আয়াত বলতে পারলেন না বলেই আপনার জীবন কেড়ে নেয়ার মতো নৃশংস কাজ করে এরা ভাবতে পারে এটা আল্লাহর পথের কাজ। এইরকম পিতৃত্ববাদের আরেক নাম ধর্মভিত্তিক রাজনীতি। সেই রাজনীতি যতদিন থাকবে ততদিন যতোই ‘ট্রু স্কটিশম্যান ফ্যালাসির” মতো বলুন এরা সহি মুসলমান না, তাতে কোন লাভ হবে না। কারণ, মানুষের একশন-ই সব, এর বাইরে অলৌকিক বলে কিছু নেই। বাংলাদেশে সেই লৌকিক শান্তি ফিরিয়ে আনুন।

1 COMMENT

  1. ALLAH HAS ALLOWED BUSINESS BUT STRICTLY PROHIBITED INTEREST( SHUD KA HARAM KORACHEN)..I DO BELIEVE ALL THESE INSTITUTION DO NOT OWN BY A SINGLE MAN…PLEASE NAME ALL OF THEM.SO THE FEATURE WILL CARRY WEIGHT.
    সিলেটের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী-জামাত নেতা রাগীব আলীর…………………..IS THIS IS FACT ???? I HARD FIRST TIME..
    DO YOU KNOW JUST A DAY BACK CHATRA LEAGUE DECLARE V.C OF DHAKA UNIVERSITY AS RAJAKAR…
    WE ARE WORRIED AT ANY TIME ANY ONE CAN BE RAJAKA…………………..MAY ALL MIGHTY ALLAH SAVE MY COUNTRY

Leave a Reply to Mohammed Jaigirdar Cancel reply

Please enter your comment!
Please enter your name here