আসেম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য কাল উলানবাটোরের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

0
87

07022016_09_SHEIKH_HASINA-300x240ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫-১৬ জুলাই উলানবাটোরে অনুষ্ঠিতব্য ১১তম এশিয়া-ইউরোপ শীর্ষ সম্মেলনে (আসেম) যোগদানের জন্য আগামীকাল সকালে ঢাকা ত্যাগ করবেন।আসেম হচ্ছে- ৫১টি এশিয়া ও ইউরোপের দেশ ও দু’টি আঞ্চলিক সংস্থার একটি ফোরাম। আরো বেশি ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈশ্বিক শৃংখলা অর্জনের লক্ষ্যে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে প্রয়োজনীয় সকল পর্যায়ে সম্পর্ক গভীর করতে এটি গড়ে তোলা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আগামীকাল সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর (এইচআইএসএ) ত্যাগ করবে। স্থানীয় সময় বিকেল ৬টা ৫০ মিনিটে ওই ফ্লাইটটি চেংগিস খান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা।

 

মঙ্গোলিয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফজলুল করিম এবং মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ ও এ্যাম্বাসেডর এট লার্জ পি. সাগান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে আসেম ভিলায় নিয়ে যাওয়া হবে। এখানেই তিনি দু’দিনের সফরকালে অবস্থান করবেন।শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। শেখ হাসিনা মাংরিলা হোটেলের সম্মেলনস্থলে পৌঁছলে সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাবেন মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট তাসখিয়াজিন এলবেগদর্জ।শেখ হাসিনা শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম ও দ্বিতীয় পূর্ণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন এবং আসেম অংশীদারিত্ব ও যোগাযোগ বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার সুইস প্রেসিডেন্ট জন স্কনেইদার, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেব, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ও ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো জেন্টিলোনির সঙ্গে বৈঠক করবেন।তিনি অতিথিদের সম্মানে আসেম ভিলেজের মঙ্গোলজেন-এ মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এক ভোজসভায়ও অংশ নেবেন।প্রধানমন্ত্রী শনিবার মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াও, ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারী, ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি ডোনাল্ড টাস্ক ও ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি জেন ক্লাউড জুনকারের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তিনি আসেম নেতাদের সমাপনী অধিবেশনেও অংশগ্রহণ করবেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় এসব বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশে সাম্প্রতিক দু’টি সন্ত্রাসীর হামলার প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ মোকাবেলায় সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয় তুলে ধরবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আসেম সদস্য দেশগুলো হচ্ছে- অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, বেলজিয়াম, ব্রুনাই দারুস সালাম, বুলগেরিয়া, কম্বোডিয়া, চীন, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাপস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কাজাখস্তান, লাও পিডিআর, লাতভিয়া, লিথুনিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালয়েশিয়া, মাল্টা, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিপিন্স, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, কোরিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম। দু’টি আঞ্চলিক সংস্থা হচ্ছে- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আশিয়ান।
বাংলাদেশ ২০১২ সালে এই ফোরামে যোগ দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here