আজ লেগেছে দোল কাশবনে

0
184

15517592588_3a087f5e1a_bদিকে দিকে ফুটছে কাশবন। শুভ্র হয়ে উঠেছে আমার প্রাণের শহর ঢাকার নানান এলাকা। প্রেমিক যুগলেরা ইতিমধ্যেই মেতে উঠেছে শুভ্রতার উৎসবে। অনেক পরিবার নিয়েও ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কাশবন দূর থেকেই সুন্দর- এই প্রবাদ মিথ্যে এখন। আপনিও ঘুরে আসুন ঢাকার মাঝেই কাশ ফোঁটা কোন জনপদে কোন এক ছুটির বিকেলে প্রিয়জনের হাত ধরে। জেনে নিন কোথায় যাবেন-

দিয়াবাড়ি-
উত্তরার দিয়াবাড়ির নাম এখন আর কাউকে বলতে হয় না। কাশফুলের জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে জায়গাটি। উত্তরার মাসকট প্লাজার সামনে বাস থেকে নামবেন। এরপর রিকশা অথবা লেগুনায় যেতে পারবেন। গাড়ি নিয়ে সোজা চলে যেতে পারেন। পীচঢালা রাস্তা, নদী আর কাশফুল সব মিলিয়ে চমৎকার একটি সময় কাটিয়ে আসতে পারেন। তবে বিকেলে অনেক ভীড় হয় এখানে।

৩০০ ফিট রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা-
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভেতরে চলে গেছে চমৎকার একটি পীচঢালা সড়ক। রাস্তার দু’পাশে বসুন্ধরার প্লটে এখন কাশফুলের মেলা।

আফতাবনগর-
রাজধানীর রামপুরা সেতুর উত্তর পূর্ব পাশে জহুরুল ইসলাম সিটি দিয়ে যেতে যেতে হবে আফতাবনগরের কাশবনে। এ পথে কিছু দূর গেলে লোহার সেতু পেড়িয়ে ওপারে প্রায় আধা কিলোমিটার সামনে গেলে শুধুই কাশবন। এ জায়গা মূলত আফতাব নগরের পেছনের অংশ।

মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধ-
মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের লাগোয়া পশ্চিম পাশে ঢাকা উদ্যান হাউজিংয়ের বিভিন্ন প্লটে এখন কাশফুলের মেলা। এখানকার সুন্দর কাশবন দেখতে হলে যেতে হবে একটু ভেতরের দিকে, বুড়িগঙ্গার তীরে। অথবা মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে বছিলা সড়ক ধরে যেতে পারেন ওয়াশপুর। এখানে বছিলা সেতুর পাশ দিয়ে হাতের বাঁয়ে চলে যাওয়া সড়কে গেলে বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠানের জায়গাগুলো এখন কাশফুলের রাজ্য। এখানকার কাশবনগুলোও বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত ছুঁয়েছে।

ঝিলমিল আবাসিক এলাকা-
বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু পেড়িয়ে মাওয়া সড়কে যাবার পথে দুই পাশে পড়বে বিস্তীর্ণ সাদা কাশবন। এটি রাজউকের ঝিলমিল আবাসিক এলাকা। এখানকার বালু ভরাট করা খালি প্লটগুলো এখন ছেয়ে গেছে কাশফুলে।

ধলেশ্বরী নদী-
নদীর দুই তীর জুড়ে কাশবন। এর চেয়ে শান্তির ছবি আর হয় কি? ঢাকা থেকে মাওয়া সড়কে যেতে কুচিয়ামারা এলাকার ধলেশ্বরী নদীটি পথে পড়বে। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে যেতে হবে একটু ভেতরের দিকে। দেখা পেয়ে যাবেন কাশবনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here