নজীর বিহীন বিশৃঙ্খল পরিবেশে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সমবর্ধনা

0
1053

pm-receiption-00001বর্ণমালা নিউজ: ২১ সেপ্টেম্বরপ্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নিউইয়র্কের সমবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সব রকমমের প্রয়াস চালিয়েছে জামাত সমর্থক জোট কোয়ালিশন ফর বাংলাদেশী আমেরিকান এসোসিয়েশন। সমবর্ধনাস্থল ম্যানহাটানের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের সামনে শত শত নারী-শিশুর হাতে কালো পতাকা নিয়ে তাদের বিশাল সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য শুধু না যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থনেও বক্তব্য রাখেন জামাতপন্থী সংগঠনগুলোর নেতারা। সন্ধ্যা সাতটায় তাদের সমাবেশ শেষ হয়ে গেলে সমাবেশে অংশ নেয়া কিছু সংখ্যক নারী গ্রঅন্ড হায়াত হোটেলের সামনে এসে চড়াও হয় প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে যোগ দিতে আসা নারী-পুরুষদের উপর। এরপর ধারণ ক্ষমতার বেশী অতিরিক্ত ভীড়ের কারনে সমাবেশস্থলে প্রায় ২ হাজারেরও বেশী মানুষ প্রবেশ করতে পারেনি। আর এই ভীড় আর হুড়োহুড়িকে কাজে লাগাতে কসুর করেনি জামাতপন্থীরা। তারা ভীড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে সমাবেশস্থলের সিড়িতে উত্তেজনার সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে ছিলো গোলাপী গেঞ্জি পরিহিত এক যুবক। মাতাল হয়ে এই যুবকটি প্রধানমন্ত্রীর সমবর্ধনায় ঢোকার জন্য অপেক্ষমান লাইনে থাকা সবার ধস্তাধস্তি করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্ঠা করে। পরে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীদের ধাওয়া খেয়ে সে পালিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরা পরে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যে গোলাপী গেঞ্জিধারী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত না, অনেকেই বলছেন সে অনুপ্রবেশকারী হিসাবে সমাবেশস্থলে এসেছিলো।
এদিকে সমাবেশে ঢুকতে না পেরে শত শত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যpm-ny-al-clash-2ক্ত করেন। তারা কেউ কেউ বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সমবর্ধনার জন্য মাত্র ১৮০০ আসনের হলরুম কিভাবে নেয়া হল?
শুধু সাধারন প্রবাসী না যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন স্টেট আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর সমাবেমে ঢুকতে পারেননি। এদের মধ্যে রয়েছেন স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও তার স্ত্রী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর ও তার স্ত্রী জলি কর, গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি মোল্লা মাসুদ ও সাধারন সম্পাদক ইলিয়ার রহমান, শিকাগো আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বর্ষণ ইসলাম সহ আরো অনেকে।
সমাবেশে স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ করেছিলো তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সস্তা মূল্যের নি¤œমানের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানোর কারন কি কেউ বুঝতে পারেনি। কমিউনিটির ছোটখাটো অনুষ্ঠানে যেসব নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দেকা যায় তাদের দিয়ে রাষ্ট্র প্রধানের অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা যে ঝুঁকিপূর্ণ তার প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থল ত্যাগ করার সাথে সাথে হলরুমে দুই গ্রুপের চেয়ার ভাঙ্গাভাঙ্গি ও মারমারিতে। এমন ঘটনার জন্য দূর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্ঠরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here