সার্কের ব্যর্থতা ও প্রয়োজনীয়তার দিকচিহ্ন

ফকির ইলিয়াস
শেষ পর্যন্ত সার্ক সম্মেলন স্থগিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশসহ চারটি দেশ ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান না করার কথা জানানোর পর এটি স্থগিত করা হয়েছে। এবছর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশের পক্ষ

ফকির ইলিয়াস
ফকির ইলিয়াস

থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় কার্যকর করা নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে পাকিস্তানের বারবার

হস্তক্ষেপের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাকিস্তানে আসন্ন সম্মেলনে যোগ দেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত,আফগানিস্তান ও ভুটানও এবারের সার্ক সম্মেলনে যোগ
দিচ্ছে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ টুইট করে বলেছেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সন্ত্রাস এক সঙ্গে চলতে পারে না। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন থেকে সরে দাঁড়াল ভারত। সার্কের সভাপতি দেশ নেপালকে ভারত জানিয়েছে এ অঞ্চলে আন্ত:সীমান্ত সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ায় এবং সদস্য দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে একটি দেশের হস্তক্ষেপ বেড়ে যাওয়ায় এমন এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে যা নভেম্বরে ইসলামাবাদে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য সহায়ক নয়। আঞ্চলিক সহযোগিতা, কানেকটিভিটি ও যোগাযোগের ব্যাপারে ভারত তার অঙ্গীকারের ব্যাপারে অবিচল আছে। ভারত বিশ্বাস করে, শুধু সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশেই এসব এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষে ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়া সম্ভব নয়। বিকাশ আরও বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি সার্কের আরও কয়েকটি দেশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই তাদের আপত্তির কথা জানিয়ে দিয়েছে।’
একটি বিষয় না বললেই নয়- সার্ক আসলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আদৌ কিছু করতে
পেরেছে কি ? কেন পারে নি ? আমরা অদূর অতীতে তাকালে দেখবো- সার্ক প্রতিষ্ঠার তিরিশ বছর পর ২০১৪ সালে ৩০ বছরের ব্যর্থতা কাটাতে ৩৬ দফা কাঠমাণ্ডু ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) নেতারা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, সার্ককে কার্যকর করার সময় এসেছে। কারণ, গত তিন দশকেও এ অঞ্চলের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল সংস্থাটি। তাই সার্ককে আরো জোরদার, গতিশীল ও দৃশ্যমান করার লক্ষ্যে ৩৬ দফা কাঠমাণ্ডু ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ২৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে।
ঘোষণায় ‘সময়ভিত্তিক’ ও ‘ফলভিত্তিক’ শক্তিশালী সার্ক গড়া, দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের ১৭০ কোটি মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সংযোগ (কানেক্টিভিটি) উৎসাহিত করা, অর্থনৈতিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাসহ সার্ক সচিবালয় শক্তিশালীকরণ ও সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগ স্থান পেয়েছিল। শীর্ষ সম্মেলনে সার্ক নেতারা তিন দশকের ব্যর্থতার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছিলেন।
উনিশতম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আশরাফ ঘানি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন আবদুল গাইয়ুম, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে উপস্থিত ছিলেন।
কাঠমাণ্ডু ঘোষণার প্রথম দফায় আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছিল। রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানরা সময়, ফল ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প ও কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থায়ন, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা, অবকাঠামো, কানেক্টিভিটি ও সংস্কৃতি খাতে সহযোগিতা জোরদার করে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য আঞ্চলিক সমন্বয় জোরদারে জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়ন (এসএইইউ) প্রসঙ্গে পরিকল্পিত উপায়ে ও পর্যায়ক্রমে মুক্তবাণিজ্য এলাকা, কাস্টমস ইউনিয়ন, অভিন্ন বাজার এবং একটি অভিন্ন অর্থনৈতিক ও আর্থিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়ন (এসএইইউ) অর্জনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন নেতারা।
এভাবে প্রায় প্রতিটি দফা নিয়েই আলোচনা করা যাবে।
তৃতীয় দফায় বলা হয়েছে, সার্ক নেতারা স্বীকার করেছিলেন যে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও স্থলবেষ্টিত সদস্য রাষ্ট্রগুলো অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এর ফলে তাদের উৎপাদন সামর্থ্যরে দুর্বলতায় উচ্চ বাণিজ্য ও ট্রানজিট খরচসহ অন্যান্য কারণ বৈদেশিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত করছে। মুক্তবাণিজ্য ব্যবস্থাগুলোর ন্যায্য সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বল্পোন্নত ও স্থলবেষ্টিত সদস্যদের জন্য সহযোগিতা জোরদারে তাঁরা অঙ্গীকারবদ্ধ। এই প্রেক্ষাপটে তাঁরা সাফটা ও সাটিসের আওতায় বিদ্যমান অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা কার্যকরে সম্মত হয়েছেন।
চতুর্থ দফায় সাফটা ও বাণিজ্য সুবিধার প্রসঙ্গ স্থান পেয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, সার্ক নেতারা সরলীকৃত স্বচ্ছ রুলস অব অরিজিন, বাণিজ্য সুবিধার জন্য নেওয়া উদ্যোগ বাস্তবায়ন, স্যানিটারি ও ফাইটো-স্যানিটারি উদ্যোগ, বাণিজ্যে কারিগরি বাধাগুলো (টিবিটি) দূর করা, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করা, অশুল্ক ও আধাশুল্ক বাধাগুলো দূর করা এবং দক্ষ ট্রানজিট ও পরিবহন সুবিধার উদ্যোগ নিতে সাফটা মিনিস্টারিয়াল কাউন্সিল ও সাফটা এক্সপার্ট কমিটিকে নির্দেশনা দিয়েছেন। অঙ্গীকারের তফসিল চূড়ান্ত করার মাধ্যমে দ্রুত সেবা খাতের বাণিজ্য চুক্তি (সাটিস) কার্যকর করতেও তাঁরা আহ্বান জানিয়েছিলেন।
আঠারোতম দফায় তরুণ জনগোষ্ঠীর ফলপ্রসূ আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের জন্য যথার্থ জাতীয় নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নের ওপর সার্ক নেতারা জোর দিয়েছিলেন।
উনিশতম দফায় নারী ও শিশুপাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সার্ক নেতারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
‘সামাজিক সুরক্ষা’ শিরোনামে বিশতম দফায় বলা হয়েছে, প্রবীণ, নারী, শিশু, ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তি, বেকার, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে কাজ করা ব্যক্তিদের বিশেষ প্রয়োজনের কথা স্বীকার করে শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সার্ক নেতারা রাজি হয়েছিলেন।
একুশতম দফায় এই অঞ্চলের বাইরে অভিবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা চালুর বিষয়ে সার্ক নেতারা একমত হয়েছিলেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক বাইশতম দফায় সার্ক দেশগুলোর জন্য আলাদা স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠা ও চালু করতে ভারতের প্রস্তাবকে সার্ক নেতারা স্বাগত জানিয়েছিলেন। জনগণের কল্যাণে মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহারে সদস্য দেশগুলোর সক্ষমতা অর্জনের বিষয়ে নেতারা সম্মত হয়েছিলেন।
ত্রিশ থেকে চৌত্রিশতম দফায় সার্ককে শক্তিশালীকরণ প্রসঙ্গ তুলে সার্ক নেতারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই সংস্থার কার্যক্রম দৃশ্যমান করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। নেতারা সার্ককে আরো গতিশীল ও কার্যকর করতে বিভিন্ন বহুপক্ষীয় সংস্থায় অভিন্ন অবস্থান নেওয়া, ফলাফলভিত্তিক নীতি, কর্মসূচি ও প্রকল্প গ্রহণ এবং প্রতি তিন বছর পর পর সার্কের বিভিন্ন কাঠামোর পর্যালোচনার জন্য কাজের অগ্রগতি ও বাধা থাকলে তা মূল্যায়ন করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
মোট ছয়ত্রিশ টি প্রস্তাবনার শেষে, পাকিস্তানকে ২০১৬ সালের স্বাগতিকের দায়িত্ব
দেয়া হয়েছিল। এখন কথা হচ্ছে এই ছয়ত্রিশটির কয়টি গেল দুই বছরে সফল করা সম্ভব হয়েছে, কিংবা কেন করা যায় নি ?
বলার অপেক্ষা রাখে না- পাকিস্তান একক ভাবেই সার্কের ভাঙনের জন্য দায়ী। কারণ
দেশটি মৌলবাদ,জঙ্গীবাদের প্রত্যক্ষ মদতদাতা হিসেবে বিশ্বে গত দুইবছরে অনেক বেশি
দুর্নাম কুড়িয়েছে। সার্ক ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের আভ্যন্তরিন বিষয়ে বার বার নাক গলিয়েছে। বাংলাদেশের বিচারব‌্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলেছে এমনকি তাদের নিজ
পার্লামেন্টে। যা আন্তর্জাতিকভাবে খুবই গর্হিত কাজ।
পাকিস্তানীরা নিজেরাই এখন নিজেদের সাথে যুদ্ধ করছে। বেলুচিস্তানে, সিন্ধু প্রদেশে সহিংসতা কাঁপিয়ে তুলছে বিশ্বমানবতার ভিত। সেই নিরিখে তারা যে ‘সার্ক’
নীতিমালা মানবে- তা আশা করা বোকার স্বর্গে বসবাসের শামিল।
এর মধ্যে আবার কাশ্মির ইস্যু নিয়ে ভারত-পাকিস্তান দেখাচ্ছে তাদের যুদ্ধংদেহী
মনোভাব।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির নিয়ে চলমান বিরোধের অবসান ঘটাতে পাকিস্তান ও ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। কাশ্মিরের উরি সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় ১৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর পাক-ভারত উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় চীন এই আহ্বান জানিয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যমতে, বেইজিংয়ে নিযুক্ত কাশ্মিরের বিশেষ দূতকে চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিউ ঝেনমিন বলেছেন, “চীন আশা করছে পাকিস্তান ও ভারত দুপক্ষই সংলাপের জন্য তাদের চ্যানেলকে আরো শক্তিশালী করবে; যেকোনো মতপার্থক্য যথাযথভাবে সামাল দেবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ও এ অঞ্চলের শান্তি-স্থিতিশীলতা ঐক্যবদ্ধভাবে রক্ষা করবে।” কাশ্মির ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানকেও চীন মূল্যায়ন করে বলে জানান তিনি।
এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দেয়ায় ইসলামাবাদ ও নয়াদিল্লির মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এর পরে ভারত যদি পানি চুক্তি বাতিল করে তবে ইসলামাবাদ একে “যুদ্ধের আচরণ” হিসেবে বিবেচনা করবে বলে হুঁশিয়ার করেছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে সার্ককে ‘জনগণের সার্ক’-এ পরিণত করার আহ্বান সব সময় জানিয়ে আসছেন। পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে তাগিদ দিয়েছেন। হাসিনা সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য সড়ক, রেল, ও আকাশপথসহ জ্ঞানবিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক কানেক্টিভিটি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন বার বারই। এ-ছাড়া সৃজনশীল উদ্ভাবনীমূলক শিক্ষা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য পারস্পরিক আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন আলোচনায়। দারিদ্র্য ও সন্ত্রাসবাদ দূরীকরণের মাধ্যমে একটি দারিদ্র্যমুক্ত নিরাপদ দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন শেখ হাসিনা গত সার্ক সামিটেও।
আমাদের মনে আছে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার এই আন্তঃরাষ্ট্রিক প্লাটফর্মটি যাত্রা শুরু করেছিলো ঢাকা থেকেই ১৯৮৫ সালে।
সেই সার্কের আজকের অবস্থান কি ? কেন এমন হয়েছে ? তা ভেবে দেখা
দরকার সকলের। মনে রাখতে হবে, চিরকালীন শত্রু ভারত-পাকিস্তান এখন পরমাণু
শক্তির অধিকারী। এই দুদেশের যুদ্ধ লাগলেই কোটি কোটি প্রাণ হানি হতে পারে।
এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে রাজনৈতিক আলোচনা ফলপ্রসু করতে হবে। কেন ঘোষণাগুলো বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না- তা খুঁজে দেখতে হবে। বিশেষ করে পাকিস্তানকে জঙ্গীবাদের পথ থেকে সরে আসতে হবে।
বিশ্ব এগোচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াও এগিয়ে যাক। কিন্তু এজন্য ছাড় দিতে হবে তাদেরকেই যারা এখনও গুহাবাসকেই তাদের মূল আবাস মনে করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here