বাংলা ব্যালটে নিউইয়র্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশীরা

0
379

বর্ণমালা ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাংলায় ব্যালট আগেও দেখা গেছে। কিন্তু নিউইয়র্ক হলো বাংলাভাষীদের স্বর্গরাজ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বাংলাভাষী নিউইয়র্কবাসী ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন বাংলা হরফে লেখা ব্যালট পেপারে। নিউ ইয়র্কের বাংলাভাষীদের কাছে ভোটের দিনটি তাই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

vote00001নিউইয়র্ক শহরের কিছু এলাকায় বাংলা সবচেয়ে উচ্চারিত ভাষার মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে আছে। শহরের মহানগর এলাকায় প্রায় ১ লাখ বাংলাভাষী বাংলা ভাষার মাধ্যমে মার্কিন রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার সুযোগ পেলেন।
ব্রুকলিনে বসবাসরত ২২ বছরের যুবক নাঈমুল ইসলাম দি হাফিংটন পোস্টকে বলেছেন, ‘প্রত্যেকেই কিন্তু ইংরেজি বলেন না। প্রত্যেকেই ইংরেজি পড়েন না। সুতরাং আপনি যখন ব্যালট পেপারে নিজের ভাষা দেখেন, তখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সহজতর হয়।’
বহু বছর লেগেছে ব্যালটে বহু জাতিগত ধারার প্রতিফলন ঘটাতে। ২০১১ সালের অক্টোবরে নিউইয়র্ক শহরে বসবাসরত দক্ষিণ এশিয় অধিবাসীদের ভাষাগত সাহায্য প্রদানে সরকার নির্দেশ দিয়েছিল। এর কারণ হচ্ছে, কুইন্স এলাকায় বসবাসরত ভোটাধিকার প্রয়োগ করার যোগ্যতা সম্পন্ন নাগরিকদের নির্দিষ্ট সংখ্যা অতিক্রম করেছিল। যেহেতু এই জনগোষ্ঠীর স্বাক্ষরতার হার নিম্নে এবং ইংরেজি ভালো বলেন না, এই তথ্য দিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
২০১৩ সালে ভোটাধিকার আইনের একটি প্রধান বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কুইন্স এলাকার ৭টি ভোটকেন্দ্রে বাংলা ভাষায় ব্যালটের প্রচলন ঘটেছিল। ওই বিধানে বলা হয়েছে, শহরগুলোতে একাধিক ভাষায় ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এবং কুইন্সে বাংলাদেশি অভিবাসীদের বৃহত্তম সমাবেশ ঘটেছে। আর সেখানে নতুন ভোটাররা ওই এলাকার নির্বাচনী ফলাফলে নিশ্চিতভাবে একটি বড় পার্থক্য সৃষ্টি করবে। কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস এলাকার একজনfullsizerender-1 মুদি দোকানি মহসীন ননী। তিনি বলেছেন, ইংরেজি দক্ষতা নির্বিশেষে তার সম্প্রদায়ের কাছে ২০১৬ সালের নির্বাচনটি বিরাট কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
মহসীনের কথায়, আমরা বাংলাদেশি জনগণ খুব বেশি রাজনৈতিকভাবে সচেতন। তারা এসব বিষয়ে জানতে খুবই কৌতূহলী। এমনকি বাংলাদেশিদের যারা ভালো ইংরেজি জানেন না, তারাও জানতে চান তাদের চারপাশে কী ঘটছে। এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কে হবেন। সেলিনা সুলতানা কুইন্স এলাকাতেই একটি বাটিকের দোকান চালান। তার কথায়, বাংলা ভাষার ব্যালট তার কমিউনিটির সদস্যদের উদ্বেগ প্রকাশে ভূমিকা রাখবে।
সেলিনার কথায়, মার্কিন নির্বাচনে প্রত্যেক ব্যক্তির মতামতই আসলে ম্যাটার করে। -সংগৃহিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here