‘এক প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত’

0
90

1313254_kalerkantho_picনিউজ ডেস্ক: একটি প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জনের ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ পরবর্তী অবৈধ সামরিক সরকারগুলো ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করে। তারা ছাত্রদের হাতে স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস তুলে ধরে। ফলে একটি প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে দিতে গিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ১৮ মিনিটের বক্তব্যে তার সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শুরু করেন এভাবে, সুন্দর পরিবেশে, চমৎকার প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমি সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি তার বক্তব্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, স্বাধীনতাযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ, নির্যাতিত দুই লাখ মা-বোন এবং জনগণ, গণতান্ত্রিক ও ভোট-ভাতের আন্দোলন নিহত হওয়াদের কথা শ্রদ্ধাভরে স্বীকার করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরবর্তী সময়ে অবৈধ সামরিক সরকার ক্ষমতায় এসে আমাদের মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এর পর পরেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি শুরু হয়।

যুদ্ধাপরাধীদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, ফাঁসি হয়েছে তাদের একসময় মন্ত্রী করা হয়েছিল, তাদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল, রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু তাদের বিচার শুরু করেছিলেন। আমরা পুনরায় ক্ষমতা এসে তাদের বিচার শেষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করার ঘোষণা দেন।

বক্তব্য শেষে সকাল ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্যের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here