আমেরিকায় আসার পথে এয়ারপোর্টে আটকে যাচ্ছেন ৭ মুসলিম দেশের নাগরিকরা

jfkprotest
প্রতিবাদকারী রা নিউইয়র্কের ডেএফকে এয়ারপোর্টের ৪ নম্বর টার্মিনালের সামনে প্রতিবাদ করছেন ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে শরণার্থী প্রবেশে বাধা দেয়ায়

বর্ণমালা নিউজ: সাতটি মুসলিমপ্রধান দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পর ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরগুলোতে তা কার্যকর করা হচ্ছে।
মিশরের এক বিমান বন্দরে কমপক্ষে সাতজন ইরাক ও ইয়েমেন থেকে আসা লোককে বৈধ ভিসা থাকা সত্বেও আমেরিকাগামী বিমানে উঠতে দেয়া হয়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পর ওই সাতটি দেশের নাগরিকরা যদি আমেরিকায় থাকার অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ধারীও হন – তারাও আমেরিকার বাইরে অবস্থান করে থাকলে আর সেদেশে ঢুকতে পারবেন না।

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর সহ দেশের আরো কিছু বিমান বন্দরে বেশ কয়েকজন লোককে আটক করার পর কয়েকজন আইনজীবী নতুন বিধিনিষেধগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

এর মধ্যে আছেন দু’জন ইরাকি শরণার্থী – যাদের একজন আবার মার্কিন বাহিনীর পক্ষে দোভাষী হিসেবে কাজ করেছেন।

এন আই এল সি নামে একটি আইনী প্রতিষ্ঠান বলেছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন।

সিরিয়া, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন ও সুদান -এই সাতটি দেশের নাগরিকদের আগামী তিন মাস কোন ভিসাও দেবে না আমেরিকা।

ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান গুগল তাদের ভ্রমণরত কিছু কর্মীকে অবিলম্বে আমেরিকায় ফিরে আসতে বলেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করার পর গুগল বলছে, তাদের প্রায় শ’খানেক কর্মী এর শিকার হতে পারে, এবং আদেশটি কার্যকর হবার আগেই তাদেরকে আমেরিকায় ফিরে আসতে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হয়েছে, তারা এই নিষেধাজ্ঞা সাথে সাথে বাস্তবায়ন শুরুর জন্য কাজ করছে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পযন্ত’ সিরিয়ান শরণার্থীদের আমেরিকায় প্রবেশা নিষিদ্ধ করেন।

এ ছাড়াও ইরান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সুদান – এই ৬টি মুসলিম-প্রধান দেশ থেকে আসা লোকদের ভিসা দেয়া তিন মাসের জন্য বন্ধ করে দিতে বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসীদের আমেরিকায় ঢোকা’ বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ।

কিন্তু ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ঘোষণার প্রায় সাথে সাথেই রাজনীতিবিদ এবং শরণার্থী সংস্থাগুলোর সমালোচনার সম্মুখীন হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here