নিউইয়র্কে ‘কোর ভিশন‘র সময়পোযী ইমিগ্রেশন সেমিনার

IMG_5806

বর্ণমালা ডেস্ক : ইমিগ্রেশন মূলধারার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাগুলো সম্পর্কে নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিনিটিকে অবহিত করার পাশপাশি কর্মসংস্থান ও ব্যবসায় ঋণ সুবিধা লাভে সহজ পথগুলো দেখাতে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘কোর ভিশন ফাউন্ডেশন’ কাজ করে যাচ্ছে।
আর ট্রাক্স মওশুমে স্টেট ও সিটির বিনামূল্য ট্রাক্স রিটার্ণের সুযোগও বাংলাদেশীদের কাছে নিয়ে এসে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে ‘ওকর ভিশন’।
এসব নানাবিধ সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে কমিউিনিটিকে অবহিত করতে নিয়মিত সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজনও করে প্রতিষ্ঠনটি। ডেনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কমিউনিটিতে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত ভীতিকর পরিস্থিতিকে সামনে রেখে গত ২৩ জানুয়ারী সোমবার ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত ব্যাপারে এক সেমিনারের আয়োজন করে কোর ভিশন। জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো ব্যাঙ্কুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পরামর্শক বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দি লীগ্যাল এইড সোসাইটির ইমিগ্রেশন ‘ল’ ইউনিট এর সুপারভাইজিং এটর্নি হাছান শফিকুল্লাহ, এটর্নি কার্লোস মেডিনা ও মিস এ্যনা ব্লনডেল, লিগ্যাল হ্যান্ড এর কর্মকর্তা মিস জেনি কিম, শ্যাম ইয়াং ও নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসের কর্মকর্তা বাংলাদেশী বশোংদ্ভূত অজেয় ইউসুফ। কোর ভিশনের কর্মকর্তা নাজ ইসলামের পরিচালনায় সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন কোর ভিশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক আবুল হোসেন খসরু ও ড মোহাম্মদ আবুল কাশেম। শুরুতে পরিচালক আবুল কাশেম আগত অতিথি ও বক্তাসহ সকলকে প্রতিকুল আবহাওয়া উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশী কমিউনিটি নিউইয়র্কে একটি বিশাল কমিউনিটি। কিন্তুু দু:খের বিষয় আমাদের ইমিগ্রেশন বিষয়ে গাইড করার জন্য তেমন সুযোগ-সুবিধা নেই। মেইন স্টিমের বরাদ্ধ সুযোগ-সুবিধা ও লীগ্যাল বেনিফিট সমন্ধে আমাদের কোন ধারণা নেই। কিংবা এ সমন্ধে ধারনা দেবার কোন লোক বা সংস্থা নেই। কোরভিশনের মাধ্যমে আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি উপরোক্ত বিষয়ে কমিউনিটির লোকজনকে সচেতন ও এগুলি পেতে সহায়তা দেয়া। আজ এখানে নিউইয়র্ক সিটির দুইটি আইনি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে এবিষয়ে সরাসরি শুনবেন ও আপনার প্রশ্নের ও সমস্যার উত্তর জানতে পারবেন। এর পরপরই অতিথিদের মধ্যে প্রথমেই বিস্তারিত আলোচনা করেন মেয়র অফিস কর্মকর্তা অজেয় ইউসুফ দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে ও উপস্থিত অডিয়েন্স এর প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিষয়ে যাবতীয় তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হবার পর অনেক নতুন নতুন আইন পরিবর্তন করেছেন। তবে এতে ঘাবড়াবার বা আতঙ্কের কিছু নেই।
দি লিগ্যাল এইড সোসাইটির মাধ্যমে যে কেউ সহজে সমাধান ও প্রতিকার পেতে পারেন। এ বিষয়ে কোরভিশন এর নাম উল্লেখ করে তারা বলেন এদের মাধ্যমেও আমাদের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। পর্যায় ক্রমে অন্যান্য সকল অতিথি স্পীকারগন তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে সকল বিষয়ে আলোচনা করেন। ডাইরেক্টর আবুল হোসেন খসরুর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে এদিনের সেমিনার সমাপ্ত হয়।
তিনি বলেন, আশা করি ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল বিষয় সম্পর্কে সকলে একটি সুস্পষ্ট ধারনা পেয়েছেন। তবে এখানেই শেষ নয়। কোরভিশন জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্র ৭২ স্ট্রীটে ও রুজভেল্ট এভিনিতে অফিস রয়েছে। যে কোন সময় যে কোন সমস্যার ব্যাপারে আমরা সকল ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তত আছি। শুধু আপনাদের স্বদইচ্ছা ও আমাদের সাথে যোগাযোগ থাকা দরকার। তিনি সকল অতিথি স্পীকারেেদর এখানে আসার ও আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here