মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে অমর একুশে পালন

0
218
মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে অমর একুশে পালন
অনলাইন ডেস্ক২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ : যথাযোগ্য মর্যাদায় ভারতের মুম্বাইয়ে উপ-হাইকমিশনে অমর একুশে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে উপ-হাইকমিশনে জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন এবং অর্ধনমিতকরণ, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা এবং ভাষা দিবসের ওপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
মুম্বাই-এ নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার মিজ্ সামিনা নাজ প্রত্যূষে জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন এবং অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন। উপ-হাইকমিশনের  কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পতাকা উত্তোলরে পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ শেষে ভাষা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে প্রথম পর্বের সমাপ্তি করা হয়।
দিবসটি  উপলক্ষে দ্বি-প্রহরে উপ-হাইকমিশনের চ্যান্সারি ভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহারাষ্ট্র সরকারের রাষ্ট্রাচার প্রধান এবং অতিরিক্ত মূখ্য সচিব সুমিত মল্লিক এ অনুষ্ঠানে গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জনাব মল্লিক একজন বাঙ্গালী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপ-হাইকমিশনার মিজ্ সামিনা নাজ আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।  তিনি তার বক্তব্যে আমাদের মহান ভাষা সংগ্রামে যে সকল শহীদ সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করেছেন তাদের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। এ সময় তিনি ভাষা আন্দেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, মাতৃভাষার জন্য আমাদের যে আত্মত্যাগ তা বিশ্বের ইতিহাসে এক অনন্য নজিরই স্থাপন করেনি বরং তা ছিল বাঙ্গালি জাতির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা সমুন্নত রাখার এক অসাধারন প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা লাভ করেছে।
গেস্ট অফ অনার-এর বক্তব্যে সুমিত মল্লিক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন-কে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এ দিনটি শুধুমাত্র যে বাঙ্গালি জাতির জন্য গর্বের তা নয় বরং দিনটি বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে তাদের নিজ নিজ ভাষা এবং সংস্কৃতির চর্চা  ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে অনুপ্রেরণা যোগায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here