গৌতম বুদ্ধকে নিয়ে কটূক্তির নিন্দা ভাস্কর্য নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে

বর্ণমালা ডেস্ক: ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশ সহ আরো কয়েকটি দেশের মধ্যে আয়োজিত এক কনফারেন্স কলে ২৯ এপ্রিল শনিবার ভাস্কর্য প্রশ্নে বাংলাদে সরকার ও হেফাজত-এর অভিন্ন সুরে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী সংখ্যালঘুরা মতামত দেন যে, ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনের আঁড়ালে হেফাজতের মূল লক্ষ্য হচ্ছে হিন্দু ধর্ম ধর্মলম্বী প্রধান বিচারপতিকে অপসারণ বা নানান উপায়ে নাজেহাল করা। নেতৃবৃন্দ দু:খ প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার বলে দাবিদার মহাজোট সরকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হেফাজতকে সমর্থন এবং সহযোগিতা করছেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার চুয়াল্লিশ বছর পর স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগকে ‘হিফাজত করছে। এ লজ্জা পুরো জাতির এবং এর পরিণতি ভয়াবহ। তারা প্রগতিশীল শক্তিকে হাতপা গুটিয়ে চুপ করে বসে না থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। তারা বলেন, ভাস্কর্য নিয়ে বাড়াবাড়ি হচ্ছে।

এ কনফারেন্স কলে অন্যান্যদের মধ্যে অংশ নেন কানাডার টরেন্টো থেকে অরুন দত্ত; সুইডেন থেকে চিত্রা পাল; জেনেভা থেকে অরুন বড়ুয়া; ফ্রান্স থেকে উদয়ন বড়ুয়া; লন্ডন থেকে ডঃ চিত্ত দাস; বংলাদেশ থেকে পিনাকী দাস; যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে শিতাংশু গুহ. ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিরঞ্জন রায় ও শ্যামল নাথ প্রমুখ।

কনফারেন্সে আগামী নির্বাচনে ৬৪ জেলায় ৬৪জন সংখ্যালঘুকে মনোনয়ন দেয়ার জন্যে আহবান জানানো হয়।

কনফারেন্স কলে মহামতি গৌতম বুদ্ধ নিয়ে কটূক্তির নিন্দা করে বলা হয় শুধুমাত্র জনকণ্ঠের বার্তা সম্পাদকের দু:খ প্রকাশ যথেষ্ট নয়। আমাদের প্রশ্ন এক্ষেত্রে ৫৭-ধারা প্রযোজ্য নয় কেন? এতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, সম্প্রতি একনেকের বৈঠকে ৫৬০টি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, আমাদের প্রশ্ন বাংলাদেশে কি একটি সম্প্রদায় বাস করে? এতে প্রতিটি জেলায় একটি করে হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিষ্টানদের উপসনালয় নির্মাণের জোর দাবি জানানো হয়।

LEAVE A REPLY