সিএমবিবি‘র গঠনতন্ত্র লংঘন করে নির্বাচন কমিশনের কমিটি গঠন প্রক্রিয়া আদালতে গড়াবে !

বর্ণমালা নিউজ: চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন ইনক (সিএমবিবি) নতুন কমিটি গঠন নিয়ে নির্বাচন

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন

কমিশনের ভেল্কিভাজীতে বিস্মিত হয়েছেন সংগঠনটির গরিষ্ঠ সংখ্যক সদস্য। গঠনতন্ত্রে তিন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবার বিধান থাকলেও তৃতীয় সদস্য যুক্ত না করেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল আমিন গঠনতন্ত্রের বিধান নির্বাচন পদ্ধতিতে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে তার মনগড়া সিলেকশন পদ্ধতিতে কমিটি ঘোষণা দিয়ে মহল বিশেষের স্বার্থে কাজ করেছেন বলেছেন অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া সঠিক ছিলো না অভিযোগ করে কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাধারন সভায় নির্বাচন কমিশিন গঠিত হতে হবে। কিন্তু তা না করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ্যের স্বাক্ষরে দুই সদস্যের নির্বাচন ক

কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন

শন গঠন করা হয় যা আবার কার্যকরী কমিটিতেও অনুমোদন নেয়া হয়নি।

কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন জানান যাদেরকে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সিলেক্ট করা হয়েছে তারা দীর্ঘ ৬ বছর সংগঠনের সাথে বিচ্ছিন্ন ছিলেন এবং এ সময়ে তারা তাদের সদস্য চাঁদাও পরিশোধ করেনি। এদেরকে সিলেক্ট করার জন্য নির্বাচন কমিশন তাদের হাস্যকর মনগড়া অদ্ভুত নিয়ম ‘এমেনেস্টি’ দিয়ে শুধু চলতি বছরের চাঁদা নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবার সুযোগ করে দেয়।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের তুঘলকি কান্ডকারখানার বিরুদ্ধে সংগঠনের ২১ জন সদস্য এক হয়ে প্রতিবাদ করেছেন। এর সাথে সহমত পেষণ করেছেন্য কমিশন কর্তৃক ১৩ সদস্যের সিলেক্টেড কমিটির’ একজন সহ সভাপতি সহ ৫ জন।
সাধরান সদস্যদের মতামতকে উপেক্ষা করে গঠনতন্ত্র বিরোধী পদ্ধতিতে কমিটি গঠনের ফলে সিএমবিবি-র গঠনতন্ত্র রক্ষা এবং সিংহভাগ সদস্যদের মতামত অনুযায়ী সংগঠন পরিচালনার লক্ষ্যে তারা আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানালেন কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন হোসেইন।

কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেইন আরো জানান, নিধারিত সময় ২২ এপ্রিল চাাঁদা প্রদান করে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের যোগ্য ভোটার ছিলেন মাত্র ৯ জন। অন্যদিকে কমিশন স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়ে চাাঁদা পরিষদ করেননি এমন ৬ জনের নাম ভোটার লিস্টে যুক্ত করেছেন। আর নির্ধারিত সময়ের পরে চাঁদা পরিশোধকারী মিলিয়ে কমিশন ৩৫ জন ভোটার দেখায়।
এদিকে নির্বাচন কমিশন তাদের কমিটি সিলেকশনের জন্য তারিখ নিধারন করেছিলো ২৩ মে। সদস্যদের তা অবহিত করার জন্য ১৫ মে তারিখের চিঠি মাত্র তিন দিন আগে ২০ মে তাদের হাতে দেয়ার ব্যবস্থা করেন বলেছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন। কামাল উদ্দিন আরো অভিযোগ করে বলেন, নিজেদের মিশন পূরণ করতে নির্ধারিত সময়ের পরও তাদের পছন্দদের ভোটার বানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন অথচ আরো ৪২ জনও পরে চাঁদা পরিশোধ করলেও তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেয়া হয়নি।

কমিশনের এই কমিটি গঠন প্রক্রিয়াকে অবৈধ বলে বাতিল ঘোষণা করে পুনরায় সাধারন সভা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটি দায়িত্ব পালন করে যাবে বলে জানান এক বিবৃতিতে। বিবৃতিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন- ‘চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন ইনক (সি.এম.বি.বি) এর সকল সাধারন সদস্য ও সদস্যাদেরকে এই মর্মে জানান যাচ্ছে যে, গত ২৩ শে মে, ২০১৭, রোজ মঙ্গলবারের অম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনের পরিবর্তে প্রহসন ও ষড়যন্ত্রমূলক অবৈধ নিয়োগদানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও আদেশ (গঠনতন্ত্র ১১(১), ১১(২)) অনুযায়ী অবৈধ ঘোষনা ও বাতিল করা হল।

অসংবিধানিক নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন সম্পূর্ণ অবৈধ, অযৌক্তিক, প্রহসনমূলক ও অকার্যকর। গঠনতন্ত্রের ১৪(১), ১৪(২) সম্পূর্ণ বিরোধী। তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন হতে হবে, অথচ ২ (দুই) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন দ্বারা সকল সম্মানিত সাধারন সদস্য ও সদস্যাকে পাশ কাটিয়ে পূর্ব নির্ধারিত কমিটি নিয়োগ দিয়ে তা ঘোষনা করা হয়েছে। যা গঠনতন্ত্র মোতাবেক অন্যায়, অমার্জনীয়, গঠণতন্ত্র বিরোধী ও ষড়যন্ত্রমূলক। সকল সম্মানিত সদস্য ও সদস্যাদের জন্য গঠিত গঠনতন্ত্র বিরোধী। যা কখনই মেনে নেয়া যাবে না।

অতএব, দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা থেকে নিরব ভূমিকা পালন করতে পারি না। আমাকে গঠনতন্ত্রের স্বার্থে সকল সম্মানিত সদস্য ও সদস্যাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ১৩ (১) ও ১৩(২) মোতাবেক আমি আমার বর্তমান দায়িত্ব পালন করে যাব।

অবৈধ ২৩শে মে ২০১৭ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নতুন কমিটির নিয়োগ দান অবৈধ। তাই আমার নির্বাহী পদ ও দায়িত্ব বলে পুনরায় সাধারন সভা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটি তার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here