ইমাম শামসি আলীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ…..

ইমাম শামসি আলী

বর্ণমালা ডেস্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের বৃহত্তম মসজিদ ও ইসলামী সেন্টার যা ‘জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার’ নামে পরিচিত সেই সেন্টারের ইমাম হিসাবে পরিচিত ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক ইমাম শামসি আলীর বিরুদ্ধে তার নিজ দেশের মানুষরা গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। এস্টোরিযা-ব্রডওয়ের আল হিকমা মসজিদে জুমার নামাজের সময় জুতা পড়ে পুলিশ নিয়ে ভেতরে গিয়ে হয়ে প্রতিরোধের মুখে বের হয়ে আসার পর তার ইন্ধনে ইমিগ্রেশন পুলিশ মসজিদের ইমাম ড. দাউদ রশিদ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। গত ২০ জুলাই বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের জ্যামাইকার হিলসাইডের পানশি রেষ্টুরেন্টে ইন্দোনেশিয়ান-বাংলাদেশী মুসলিম কম্যুনিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্ম নজরুল ইসলাম, ড. নাজিমউদ্দিন, ড. মোহাম্মদ আহমদ, খুরশিদ আলম, ইমাম আজিজ খান, মুহাম্মদ জামান, রফিক আহমেদ, মামুনুর রশীদ এবং ডাঃ জুন্নুন চৌধুরীসহ অনেকে। আরো উপস্থিত ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান-আমেরিকান মুসলিম কম্যুনিটি লিডার এবং আল হিকমাহ মসজিদের পক্ষে উজুক, এ জায়দান, মোহাম্মদ ড্যানী পুর্বা, নাজারুদ্দীন জায়দান ও আতিয়া সুনারজন।

ইমাম শামসির বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ান-বাংলাদেশী মুসলিম কম্যুনিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে

এর আগে গত বছর ইমাম শামসী নিউইয়র্কে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার সমর্থনে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রেখে বিতর্কিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে ইমাম শামশি আলীর অপকর্মের ভিডিও চিত্র তুলে ধরা হয়। এছাড়া উপস্থাপন করা হয় ইমাম শামশি ২০১৩ সালে কিভাবে মসজিদ আল হিকমার চেয়ারম্যান এর পদ হারান- তার সুপ্রীম কোর্ট নির্দেশনা। ইমাম শামসি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ঐ মসজিদের অর্থ ব্যবহারসহ তার মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের কিছু প্রমাণও তুলে করা হয়।

বিশেষ করে জুমা নামাজ আদায়কালে শামশি আলী জুতাসহ পুলিশ সদস্য নিয়ে মসজিদে প্রবেশ ও অনধিকার চর্চা করেন। মুসল্লিদের প্রতিরোধের মুখে মসজিদ আল হিকমাহ থেকে বের হয়ে আসেন। সেদিন জুমার নামাজে ইমামতি করছিলেন আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রীধারী ড. দাউদ রশিদ। শামসি আলী ক্ষমতা ও অর্থ লোভে আল হিকমার ইমাম ড. রশিদ এর বিপক্ষে কাজ করে আসছে। জুমার পরে ড. রাশীদকে আইসিইস অফিসার কোন ধরনের প্রমানপত্র উপস্থাপন ছাড়াই ধরে নিয়ে যায়। এর নৈপথ্যে ইমাম শামশীর দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

ইমাম ড. রশীদ এর আর-১ ভিসা ষ্ট্যাটাস ধারাবাহিকতা রক্ষা না করার জন্যও কমিটির একাংশকে প্রভাবিত করেছিলেন ইমাম শামসি আলী।

সংবাদ সম্মেলনে ইমাম শামশী আলীকে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার দাবী করা হয়। এমনকিজ্যামাইকামুসলিম সেন্টারে মাসে একটা জুমা নামাজে ইমামতি করে তিনি ডাইরেক্টর পদ ব্যবহার করে অনেক জায়গায় পরিচয় দিয়ে থাকেন। ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে নিউইয়র্কের গ্রান্ড ইমামও পরিচয় দেন ইমাম শামশী। বাংলাদেশী- ইন্দোনেশিয়ান মুসলিম কমিউনিটির দাবী শামশীকে জেএমসি থেকে প্রত্যাহার করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here