এনওয়াইপিডি’র লেফটেন্যান্ট হলেন বাংলাদেশের প্রিন্স

প্রিন্স আলমের হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দিচ্ছেন পুলিশ কমিশনার জেমস পি ও’নিল

বর্ণমালা ডেস্ক: বিশ্বের সেরা পুলিশ বাহিনী হিসাবে খ্যাত নিউইয়র্ক এনওয়াইপিডি ’র ‘লেফটেন্যান্ট’ পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশের একেএম প্রিন্স আলম।

২৮ জুলা্শই ক্রবার ম্যানহাটানের পুলিশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে এক অনুষ্ঠানে প্রিন্স আলমের হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাকে ব্যাজ পরিয়ে দেন পুলিশ কমিশনার জেমস পি ও’নিল।

এসময় শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সদস্যরাও ছিলেন।

বাংলাদেশের পটুয়াখালীতে জন্মগ্রহণকারী প্রিন্স আলম গত ১১ বছরের চাকরি জীবনে পুলিশ অফিসার থেকে সার্জেন্ট এবং সর্বশেষ লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পেলেন।

তার বাবা একেএম শাহ আলম পেশায় একজন আইনজীবী। ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান প্রিন্স আলম।

পদোন্নতির অনুষ্ঠানে স্বামীর সঙ্গে এসেছিলেন প্রিন্স আলমের স্ত্রী তানজিনা ইসলাম শর্মী।

স্বামীর সাফল্যে আনন্দিত শর্মী বলেন, “আমি আমার স্বামীকে এনওয়াইপিডির আরো শীর্ষ পদে দেখতে চাই।”

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বাপা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সার্জেন্ট সুমন সাঈদ, অন্যতম ট্রাস্টি লেফটেন্যান্ট কারাম চৌধুরী ও ডিকেটটিভ জামিল সারোয়ার জনি, সার্জেন্ট মঞ্জুর এলাহী, সার্জেন্ট এরশাদ সিদ্দিকী, অফিসার আব্দুল লতিফ, মামুন সর্দার, হাসনাত এবং মোহাম্মদ খান। প্রিন্স আলম বাপা’র মিডিয়া লিয়াঁজোর দায়িত্বে রয়েছেন।

বাপা’র ট্রাস্টি ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি বলেন, “নিউ ইয়র্ক পুলিশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মকর্তাদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশিরা অনেক ভাল করছেন।”

ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জামিল সারোয়ার।

প্রিন্স আলমসহ নিউইয়র্ক পুলিশে সাতজন বাংলাদেশী এখন লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত রয়েছেন। অন্য বাংলাদেশি লেফটেন্যান্টরা হলেন- মিলাদ খান, সুজাত খান, শামসুল হক, কারাম চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল্লাহ এবং নিয়ন চৌধুরী।

LEAVE A REPLY