ওজন নিয়ন্ত্রণ সহ কুমড়ো বীজের আটটি উপকারিতা

0
125

নানা পুষ্টি উপাদানে ঠাসা কুমড়ো বীজ। এতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, কপার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোস্টেরল এবং প্রোটিন। কুমড়ো বীজে আরও আছে প্রদাহরোধী উপাদান। এ ছাড়া জরুরি ফ্যাটি এসিডগুলোও আছে উচ্চমাত্রায়। যেগুলো রক্তের শিরা-উপশিরা ভালো সচল রাখতে এবং রক্তে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক। ওজন নিয়ন্ত্রণ সহ এর উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক…

১. হার্টের জন্য উপকারী
কুমড়ো বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ এবং নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে আছে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা রক্তে ক্ষতিকর কোরোস্টেরল কামানো এবং উপকারী কোলোস্টেরল বাড়াতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। আর এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. ঘুমের গুণগত মান বাড়ায়
এতে আছে সেরোটোনিন নামের একটি নিউরোকেমিকেল যা প্রাকৃতিক ঘুমের বড়ি হিসেবে পরিচিত। কুমড়ো বীজে আছে উচ্চ মাত্রার ট্রাইপটোফেন।

এই অ্যামাইনো এসিডটিই সেরোটোনিনে রুপান্তরিত হয়ে ঘুমের গভীরতা বাড়ায়। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘন্টা আগে এক মুঠো কুমড়ো বীজ খান।

৩. প্রদাহরোধী উপকারিতা
এতে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান আর্থ্রাইটিসের ব্যাথা কমায়। জয়েন্টের ব্যাথার চিকিৎসায় কুমড়ো বীজের তেল বেশ ভালো একটি দাওয়াই।

৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে
এতে আছে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিকেলস যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়া সেসব ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রতিরোধ করে যেসব থেকে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঠাণ্ডা-সর্দি, ফ্লু, অবসাদ এবং অন্যান্য রোগ হতে পারে।

৫. প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির স্বাস্থ্য ভালো করে
এতে উচ্চমাত্রায় জিঙ্ক থাকায় এটি পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ানোর পাশপাশি প্রস্টেটগ্রন্থির রোগ-বালাই প্রতিরোধ করে। এতে আরো আছে ডিএইচইএ যা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৬. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
কুমড়ো বীজ ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এই বীজগুলো হজমযোগ্য প্রোটিনেরও সমৃদ্ধ উৎস যা রক্তে সুগারের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক।

৭. ওজন কমায়
ওজন কমানোর জন্য দিনের প্রধান বেলার খাবারগুলোর মাঝে জলখাবার বা হালাক নাস্তার জন্য এটি সেরা খাবার। এগুলো দেখতে ছোট হলেও খুবই পুষ্টিঘন এবং আঁশসমৃদ্ধ ভারী খাবার। যা দীর্ঘক্ষণ আপনাকে ক্ষুধামুক্ত রাখবে।

৮. চুল গজাতে সহায়ক
এতে আছে কিউকারবিটিন নামের একটি অ্যামাইনো এসিড যা নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সিও চুল গজাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। মাথার ত্বকে নিয়মতিভাবে কুমড়ো বীজের তেল ব্যবহার করুন। অথবা প্রতিদিন এক মুঠো কুমড়ো বীজ খান।
সূত্র : এনডিটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here