যে সকল কারণে শেখ হাসিনার নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত

0
218

শাহ্ শহীদুল হক (সাঈদ)

।। শাহ্ শহীদুল হক (সাঈদ) ।।
মহাজোট সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে গত ৬ বছরে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রের অন্তত ২০৪টি সেবাখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সংযুক্ত হয়েছে-যা পূর্বে ছিলনা। এখন তৃতীয় বিশ্বের মত একটি দেশের জনগণ প্রত্যক্ষভাবে এর সুফল পাচ্ছে। ইতিমধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের এ উদ্যোগের স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রধামমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুয়াই) প্রোগ্রামের বর্তমান সরকারের অর্জন সম্পর্কিত প্রতিবেদন আছে। তাছাড়াও এসব-ই সেবার সাথে জনগণের পরিচিতির লক্ষ্যে সরকার দেশের ৬টি বিভাগীয় শহর-ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুরে বিভাগীয় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার আয়োজন করছে। এতে জনগণের মনে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা ও চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ৪৫০১টি তথ্যসেবা কেন্দ্র-সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ৪৫০১টি তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে গ্রামীণ জনগনের তথ্যসেবা ও একই সাথে ৯ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। তথ্যকেন্দ্রগুলোতে সরকারি ফরম, বিজ্ঞপ্তি, সরকারি বিধিবিধান, জন্ম নিবন্ধন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার এমপিও ভুক্তির তথ্য, ভিজিএফ ও ভিজিডি কার্ডধারীদের ৫০টিরও বেশি অনলাইন সেবা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের আইটি প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার ফরম পূরণ-শিক্ষাকে আকর্ষনীয় করে তুলতে শিক্ষকদের যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে প্রতিবছর। তাছাড়া শারীরিক শিক্ষা বিষয়টি ২০১৩ থেকে বাধ্যতামূলক করার পর থেকে শিক্ষকদের প্রতিবছর দু-বার রি-ফ্রেশার কোর্স করানো হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজ ইউনির্ভাসিটি ভর্তির ফরম পূরণ অনলাইনে ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্যাটেলাইট, ২য় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন ইত্যাদি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ, ভিওআইপি মুক্তকরণ, মোবাইল ব্যাংকিং চালুু-এসব অনন্য কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ দক্ষিণ এশিয়ার সম্মানজনক মন্থন এওয়ার্ড, ২০১০ এ মোট ৯টি পুরস্কার লা করেছে বাংলাদেশ। এর ৩টি বিশেষ পুরস্কারের মধ্যে একটি অর্জন করে বাংলাদেশ চিনি শিল্প করর্পোরেশনের ডিজিটাল পূর্তি ব্যবস্থাপনা বা ই-পূর্জি। বিশ্বেও ১৩৪টি দেশের মধ্যে নেটওয়ার্ক সক্ষমতা সূচকে এ বছরে ১২ ধাপ এগিয়ে গেছে। আর জিআইটি এর ২০১০ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৮তম। ২০১০ সালে প্রতিনিধি সম্মেলনে ১৩টি পদের মধ্যে বাংলাদেশ ৬ষ্ঠ স্থান লাভ করে। সমুদ্র বিজয় ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায়ে বাংলাদেশের বিপুল বিজয় হয়েছে। নেদারল্যান্ডের হেগে সালিশি ট্রাইব্যুনালের রায়ে বিরোধপূর্ণ আনুমানিক ২৫৬০২ বর্গ কিঃ মিঃ সমুদ্র এলাকার মধ্যে ১৯৪৬৭ বর্গ কিঃমিঃ এলাকা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়েছে। ফলে সমুদ্রসীমা এখন ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিঃমিঃ। তাছাড়া এর বেশি টেরিটোরিয়াল সমদ্র ২০০ নটিক্যাল মেইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল চুক্তি ১৯৪৭ সালের রেডক্লিফের মানচিত্র বিভাজন থেকেই উদ্ভব ছিলমহলের। সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ হেডকাউন্টিং এ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রয়েছে ১১১টি। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে (অঙ্গরপোতা, দহগ্রাম ব্যতিত) ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহল ভারতের কাছে এবং বাংলাদেশের ভেতর অবস্থিত ভারতের ছিটমহল বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা এবং উভয় দেশের অপদখলীয় এলাকাও সংশ্লিষ্ট দেশের কাছে হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি মোদী সরকার আসার পর ভারতের লোক সভায় এই ছিটমহল বিল পাস হয়েছে। এটি মহাজোট সরকারের অবশ্যই কূটনৈতিক বিজয়। এছাড়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি, বিদেশ নীতি ও নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্য নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট। শান্তিবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর সঙ্গে সুদীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে যেভাবে বিনা রক্তপাতে বন্ধ করেছেন পৃথিবীর ইতিহাসে মহাত্ম গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনকে হার মানায়। তিনি বিনা যুদ্ধে বিনা রক্তপাতে হাজার হাজার জীবন বাচিঁয়েছেন। “ঝযব রং ঃযব ঋরবষফ গধৎংযধষষ ড়ভ চবধপব.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here