প্রধান বিচারপতির বিষয়ে মন্তব্য না করতে শেখ হাসিনার নির্দেশ!

বর্ণমালা ডেস্ক: প্রধান বিচারপতির বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য না করতে নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যা হওয়ার আইন অনুযায়ী হবে। শনিবার সন্ধ্যায় য় শেখ হাসিনা এই নির্দেশ দেন । আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু সভা শেষে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

সভার সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছেন, বিভিন্ন সরকারের আমলে বিচারপতিদের নিয়ে বারবার খেলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে যে উচ্চ আদালতের বিচারকদের বয়স আমাদের সংবিধানে ৬২ ছিল, সেটাকে ৬৫ করা হয়েছিল। এরপর আবার সেটাকে কমিয়ে দিয়ে ৬৫ থেকে ৬২ করে দিয়ে বিচারকদের বিদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। বারবার এ ধরনের খেলা হয়েছে।’ এ তিনি আরও বলেন, এজলাসে প্রধান বিচারপতি বসে আছেন, পত্রপাঠ তাঁকে বিদায় দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রদূতের চাকরি দিয়ে দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বিচার বিভাগের অতীত বলতে গিয়ে বলেন, ১৯৯৬ সালে তাঁর সরকার যত বিচারক নিয়োগ দিয়েছিল, পরে তাঁদের ১০ জনকে পত্রপাঠ বিদায় করে দেওয়া হয়। এরপর একবার ছয়জন, আবার আরও কয়েকজনকে বিদায় দেওয়া হয়। অবশ্য পরে রিট আবেদন করে কয়েকজন চাকরি ফিরে পান।

বিএনপি আমলের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বানানো যায়। তিনি বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি যাতে প্রধান উপদেষ্টা হয়ে তাদের ভোট চুরির সুযোগ করে দেন, সে জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেনা-সমর্থিত সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তখন আমরা দেখলাম, একজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন ডেকে নিয়ে এক কাপ চা খাইয়ে বললেন, আপনি পদত্যাগ করেন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here