ভ্রমণ : ভীতিকর সৌন্দর্যের লীলাভূমি বলিভিয়ার আলটিপলানো

0
350

এক পর্যটকের বয়ান থেকেই উঠে বলিভিয়ার সৌন্দর্যের কথা। তার মানে এই নয় যে, প্রথমবারের মতো বলিভিয়ার পর্যটনবান্ধব পরিবেশের তথ্য মিলল।

তার ব্যক্তিগত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আপনাদেরও বেশ আগ্রহ জোগাবে।

তিনি বলছেন, বিগ তিন মাসে আমার দক্ষিণ আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশ দেখার সুযোগ হয়েছিল। পেরু থেকে ব্রাজিল আমি কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। এর মধ্যে দক্ষিণ বলিভিয়ার আলটিপলানোর কথা কখনো ভোলার নয়। এটা ভীতিকর রকমের সুন্দর, অনন্য আর গেলেই পুষিয়ে যাবে বলে মনে হবে।

যখনই আমি মরুভূমিতে পা রাখলাম তখন একটি অনুভূতিই হলো। আমি কত ক্ষুদ্র এটার কাছে! চোখের সামনে বিস্তার খোলা মরু। তার মাঝে দানবের মতো দাঁড়িয়ে পর্বত আর তারও ওপরে লক্ষ-কোটি তারকারাজি। এই স্থানের বিশালত্বের প্রেমে পড়ে যাবেন আপনি।

এটা একেবারে চুপচাপ। এখানকার নির্জনতা আর পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্নতা আপনাকে একটানে কল্পজগতে নিয়ে যাবে। সেখানে আপনি চাইলেও স্মার্টফোনের সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রায় অসম্ভব। আপনাকে কেবল প্রকৃতির রূপ আস্বাদনেই ব্যস্ত থাকতে হবে। অন্তত এটা করতেই সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যায়।

একাধিক রঙের লেক, উষ্ণ প্রস্রবণ, আগ্নেয়গিরি, বন্য পরিবেশ আর লা পাচামামা যার যার নিজস্বি নিয়ে দাঁড়িয়ে। এরা কেউ কারো চেয়ে কম নয়। এখানে নিচের ছবিগুলোই বাকি ইতিহাস বলছে।

১. যাওয়ার রাস্তাই কিন্তু রোমাঞ্চকর।

২. আগ্নেয়গিরির মরু এটি। এটা ভ্যালি অব রকস।

৩. পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে আপনাকে।

৪. এটা রেড লেগুন যার নাম লাগুনা রোজা।

৫. এখানকার ভূদৃশ্য যেন অন্যগ্রহের বলে মনে হয়।

৬. এটা লেগুনা ভার্দে। চিনি সীমান্তের কাছে এর অবস্থান। একেবারে লাইক্যানকাবুরের কাছে।

৭. এটা লামা, আলটিপ্লানোর অন্যতম চিহ্ন ধরে রেখেছে এরা।

৮. ভ্রমণের শেষের চমক সালার অব ইউইয়ানি।


সূত্র : ইন্টারনেট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here