নিউইয়র্কে কূটনৈতিক শাহেদুল ইসলাম মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন গৃহকর্মীর ৩৩টি অভিযোগের একটিও প্রমানিত হয়নি

এটর্নি ড্যানিয়েল এন আরশ্যাকের সাথে শাহেদুল ইসলাম

আকবর হায়দার কিরন : নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কন্সুলেটের ডেপুটি কনসাল জেনারেল এবং একযোগে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের কাউন্সিলর হিসেবে কর্তব্যরত কূটনৈতিক শাহেদুল ইসলাম বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দায়ের করা মামলার সকল অভিযোগ থেকে তাকে অব্যহতি দিয়েছে কুইন্স কোর্র্ট । তার বিরুদ্ধে আনা ৩৩টি অভিযোগ সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় আদালত তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ হিসেবে ঘোষণা করেন। অভিযোগের একটি ছিলো , বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসার পর রুহুল আমিনকে একটি পয়সাও বেতন দেয়া হয়নি। অথচ তার ব্যাঙ্ক একাউন্টে জনাব শাহেদ জমা দিয়েছেন মোট ১৭ হাজার মার্কিন ডলার। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল গৃহকর্মী মোট ৩৩টি অভিযোগ- যার একটিও সত্য বলে প্রমানিত হয়নি।

শাহেদুল ইসলামের এটর্নি ড্যানিয়েল এন আরশ্যাক ২৩ জানুয়ারী এই মামলা বাতিল হবার কথা জানান। তিনি আরও জানান শাহেদুল ইসলামের আটকে রাখা কূটনৈতিক পাসপোর্ট তাঁকে ফেরত দেয়া হয়েছে। এটর্নি আরও জানান কূটনীতিক শাহেদুল ইসলাম এখন থেকে মুক্তভাবে যে কোন দেশে ভ্রমনে যেতে পারবেন। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে , নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কন্সুলেটে কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকে সততা এবং কর্তব্যনিষ্ঠার জন্যে শাহেদুল ইসলাম প্রবাসে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

গৃহকর্মী রুহুল আমিন শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করলে প্রবাসে তার ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়। তাঁকে নির্দোষ বলে অভিহিত করে হাজার হাজার দস্তখত সহ ডিস্ট্রিক্ট এটর্নীর কাছে আবেদন জমা দেয়। ২৩ জানুয়ারী কোর্টের রায়ের খবর জানাজানি হলে প্রবাসীদের ভেতর স্বস্তি এবং আনন্দের সঞ্চার হয়।এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে জনাব শাহেদুল ইসলামের প্রয়াত পিতা জনাব খাদেমুল ইসলাম নওগাঁ থেকে ৪বার আওয়ামী লীগের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয় বিভাগের কৃতি ছাত্র জনাব শাহেদুল ইসলাম রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবে নিউইয়র্ক কন্স্যুলেটে দায়িত্ব পালন করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here