দেশ-জাতির বৃহত্তর স্বার্থে কখনও আপোষ করছি নিউইয়র্কে আড্ডায় নঈম নিজাম ও পীর হাবিবুর রহমান

বর্ণমালা ডেস্ক : ঢাকার অন্যতম শীষস্থানীয় দৈনিক ‘বাংলাদশ প্রতিদিন’-এর সম্পাদক নঈম নিজাম ও পূর্ব-পশ্চিম বিডি ডট নিউজ-এর প্রধান সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানকে ঘিরে এক ব্যতিক্রমী আড্ডার আয়োজন হয়েছিল গত সোমবার নিউইয়র্কে। ‘দুই বন্ধুর সাথে সোমবারের আড্ডা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও প্রবাসের সাংবাদিকতা, সাংবাদিকদের বিভক্তি, দলকানা সাংবাদিকতা প্রভৃতি বিষয় ছাড়াও সমকালীন রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রবাসীদের অবদান ও ভূমিকা এবং সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের বিষয় উঠে আসে। এরই পাশাপাশি আসে গুম-খুন-হত্যার রাজনীতি প্রসঙ্গ। আড্ডার মেজাজে আলোচনায় আসে নঈম নিজাম আর পীর হাবিবুর রহমান এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত সিনিয়র সাংবাদিক ও সুধীবৃন্দের ব্যক্তিগত প্রসঙ্গও। আসে ‘জাতির জনক’ বঙ্গববন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘বড় মন ও উদার হৃদয়ের’ কথা, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ‘জয় বাংলা’ নাকি ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বিতর্ক প্রভৃতি বিষয়। অতিথি আর সুধীবৃন্দের বক্তব্য কখনো কখনো ‘সিরিয়াস’ হয়ে ওঠে আবার কখনো ‘হাস্যরস’-এর সৃষ্টি করে। সব মিলিয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে সোমবারের আড্ডা।

জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে এই আড্ডার আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক হাসানুজ্জামান সাকী ছিলেন অনুষ্ঠানের আয়োজক। তারই ব্যবস্থাপনা আর উপস্থাপনায় আড্ডাটি শুরু হয় রাত সোয়া আটটার দিকে। নঈম নিজাম ও পীর হাবিবুর রহমান ছাড়াও আড্ডার অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন, প্রবীণ সাংবাদিক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ, প্রবীণ ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান বীনু, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমদ, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারী আশরাফুল আলম খোকন।

প্রথমেই সূচনা বক্তব্য দেন পীর হাবিবুর রহমান। এরপর বক্তব্য রাখেন নঈম নিজাম। সময়ের কথা বিবেচনা করে তারা বেশ দ্রুত বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রসঙ্গ এবং সাংবাদিকতা পেশায় তাদের আজকের অবস্থান তুলে ধরেন। তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ, দেশের জাতীয় সঙ্গীত, লাল-সবুজের পতাকা, গণতন্ত্র, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু প্রভৃতি প্রশ্নে কোন আপোষ নেই, আপোষ হতে পারে না। এসব মীমাংসিত বিষয়। তারা বলেন, আমরা সত্যকে সত্য বলার চেষ্টা করছি। দলমতের উর্ধ্বে সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করছি। তারপরও দেশ-জাতি আর মানুষের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কখনো কখনো আপোসও করছি। তারা বলেন, ‘দলকানা সাংবাদিকতা’ দেশ-জাতির ক্ষতি করছে। সাংবাদিকরা বিভক্ত হচ্ছেন, সাংবাদিকদের ইউনিয়ন বিভক্ত হয়েছে। যা কারো কাম্য নয়।

দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু নঈম নিজাম আর পীর হাবিবুর রহমান বলেন, ইন্টারনেটের যুগে পৃথিবী এখন একটি ভিলেজে পরিণত হয়েছে। ঢাকা তথা বাংলাদেশের সাংবাদিকতা আর প্রবাসের সাংবাদিকতা এক ও অভিন্ন হয়ে পড়েছে। নিউইয়র্ক আমাদের আরেকটি ঘরে পরিণত হয়েছে। নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের পাশাপাশি এখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটি আমাদের আপনজন হয়ে উঠেছে। এমন আড্ডায় অনেককেই এক সাথে পেয়ে ভালো লাগছে, প্রাণ খুলে কথা বলতে পারছি। আড্ডায় যা বলা যায়, সভা-সমাবেশে তা বলা যায় না। তারা উত্তর আমেরিকার সকল প্রবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।

পীর হাবিবুর রহমান তার বক্তব্যে বিশিষ্ট রাজনীতিক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর এবং এম এম শাহীনকে ‘ক্লিন ইমেজ’-এর রাজনীতিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মৌলভীবাজারের মানুষ বিপদে আছেন। এই দুই রাজনীতিক একই আসনের হওয়ায় এমপি নির্বাচনে মানুষ সমস্যায় পড়েছে। তারা কাকে রেখে কাকে নির্বাচিত করবেনÑ এমন প্রশ্নও উঠেছে। দুইজনের একজন মৌলভীবাজার থেকে আরেকজন সিলেট সদর থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করলে বৃহত্তর সিলেটবাসী উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পীর হাবিবুর রহমান তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নঈম নিজামকে বাংলাদেশের অন্যতম ‘মিডিয়া মুঘল’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমি সোজা পথে চলি, আর নঈম আঁকা-বাঁকা পথে চলে। আমি যেখানে আটকে যাই, নঈম সেখানে পিছলে বেরিয়ে যায়। তবে তার আর আমার মধ্যে অনেক মিল, আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি বলেন, দেশ-জাতির স্বার্থে কখনো কখনো আপোস করে চলতে হচ্ছে।

নঈম নিজাম বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন খুবই জরুরী। সঠিকভাবে আইনের শাসন থাকলে দেশের উন্নয়ন আরো বেশী হতো। আইন কার্যকর থাকলে সঙ্কট সৃষ্টি হয় না। আইনের শাসন আর উন্নয়নকে একসাথে চলতে হবে। তিনি বলেন, মিডিয়া পরিচালনা আর সাংবাদিকতা পেশায় সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ থাকা জরুরী।
নঈম নিজাম বলেন, প্রবাসীদের হৃদয়ে বাংলাদেশ। প্রবাসীদের অর্থে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরকার দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এম এম শাহীন বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশ সরকারের অংশ। ড. এ কে আবদুল মোমেন, ড. শাজাহান মাহমুদ, আশরাফুল আলম খোকনের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক প্রবাসীই এখন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অবস্থান করে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে অবদান রাখছেন। তবে আগেকার সরকারগুলোর চেয়ে বর্তমান সরকারের সময়ে প্রবাসীরা বেশী কদর পাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রবাসী অনেকেই সরকারের নানান সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন আবার অনেকে এই সুযোগের অপব্যবহার করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশেষ করে ব্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যারা ধ্বংস করে দিয়েছেন তাদের চিহ্নিত করা দরকার। প্রবাস থেকে ৫০০ অভিজ্ঞ প্রবাসীকে দেশে নিয়ে সরকার পরিচালনায় কাজ করার সুযোগ দেয়ার দাবী জানান এম এম শাহীন।

মনজুর আহমদ বলেন, পেশার প্রতি নিষ্ঠা থাকলে যে সফল হওয়া যায় তার প্রমাণ নঈম নিজাম ও পীর হাবিবুর রহমান। আশি-নব্বই দশকের তরুণ-উদীয়মান দুইজন সাংবাদিক আজ নামকরা সম্পাদক-লেখক। তিনি বলেন, আমাদের চোখে ক্ষমতার রঙিন চশমা নেই, তাই ক্ষমতাসীনদের মতো কিংবা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা মানুষদের মতো করে দেখতে পাই না। পাকিস্তান আমলে স্বৈরশাসনের মধ্যেও সাংবাদিকরা মিছিল-সমাবেশ, প্রতিবাদ করেছে, কালো ব্যাজ ধারণ করেছে। কিন্তু আজ পারছে না। তিনি বলেন, মওলানা আকরাম খাঁ, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, জহুর হোসেন চৌধুরী, আব্দুস সালাম, সিরাজ উদ্দিন হোসেন প্রমুখ সম্পাদক-সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা যেমন গর্ব করতে পারি, তেমনি যেন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকরাও তাদের সময়ের সম্পাদকদের নিয়ে গর্ব করতে পারে।

লুৎফর রহমান বীনু তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাসিত জীবনে দিল্লিতে তার সাথে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ ছাড়াও সংবাদ পত্রিকায় কাজ করার সময়ের নানা অভিজ্ঞতা আর ১৯৭৬ সালে টুুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবরের প্রথম ছবি তোলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর মতো নেতা বিরল। তারা সকল দলের রাজনীতিকের সাথে সুসম্পর্ক রাখতেন, একজন আরেকজনের সভায় যেতেন। কিন্তু এখন আর সেই সহনশীলতা আর শ্রদ্ধাবোধের রাজনীতি দেখছি না।

বর্ণমালা‘র প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান তার বক্তব্যে রাষ্ট্র, সরকার ও বিরোধীদল নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সবার উর্ধ্বে স্থান দেবার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকারকে সমালোচনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের মৌলনীতি ও অস্তিত্বের বিরুদ্ধে চলে যায় তেমনি বিরোধীদলকে সমর্থন করতে গিয়েও তারা রাষ্ট্র কাঠামোকে তুচ্ছ করতে দ্বিধা করেন না। অথচ পাশের দেশ ভারত কিংম্বা আমেরিকায় সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের মৌল কাঠামোর বিরুদ্ধে কখনও অবস্থান নিতে দেকা যায় না সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের।
কৌশিক আহমেদ তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকতার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়ার্ল্ড স্ট্রীট জার্নালসহ অনেক মিডিয়া আছে যারা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে জনগণের কাতারে দাঁড়িয়ে সাহসিকতার সাথে সাংবাদিকতা করে পেশার মর্যাদা ধরে রাখছে। তারা নিজেরা যেমন সৎ তেমনি তারা তাদের রিপোর্টারকে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সত্য কথা বলতে হবে।

আবু তাহের বলেন, বাংলাদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র আছে কি নেই তা প্রশ্নের মুখোমুখি। বাংলাদেশের আগামী নেতৃত্ব কে দেবে, কারা দেবে তা নিয়ে ভাববার সময় এসেছে। নতুন নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে তিনি সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

আশরাফুল আলম খোকন বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বিষয়ে বিভ্রান্তির কোন সুযোগ নেই। এটি সরকারের সম্পত্তি, কোন ব্যক্তির নয়। তিনি বলেন, না জানার কারণেই সরকারের প্রতিনিধি দলের সদস্য নিউইয়র্কে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভুল তথ্য পরিবেশন করেছেন। তিনি বলেন, সরকার মিডিয়ার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী বলেই বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টকশোতে সবাই মন খুলে কথা বলতে পারছেন, সকল সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারছেন। সংবাদপত্রও স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করছে, গুম, খুন, হত্যার খবর প্রকাশ করছে।

আড্ডায় আরো অতিথি ছিলেন কমিউনিটির সর্বস্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাদের অনেকেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এদের মধ্যে সাহিত্যিক-লেখক আহমাদ মাযহার, দৈনিক মানব জমিন-এর উপ সম্পাদক মনির হায়দার, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, উপদেষ্টা সম্পাদক আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু, সাংবাদিক মাহমুদ খান তাসের, মূলধারার রাজনীতিক মোর্শেদ আলম, মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরী, বিশিষ্ট নাট্যাভিনেত্রী রেখা আহমেদ ও লুৎফুন্নাহার লতা, সাংবাদিক ফাহিম রেজা নূর, মানব জমিনের সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নওশাদ হোসেন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও কলামিস্ট সুব্রত বিশ্বাস, লেখক-কলামিস্ট কামাল হোসেন মিঠু, সাংবাদিক-কলামিস্ট শিতাংশু গুহ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফরহাদ, নজরুল ইসলাম, ঠিকানা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক জাভেদ খসরু, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার উত্তর আমেরিকা সংস্করণের নির্বাহী সম্পাদক লাবলু আনসার, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, জনতার কণ্ঠ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ সোসাইটির নেতা আহসান হাবীব, বোস্টন বাংলার সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন, দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক কানু দত্ত, টাইম টেলিভিশনের সাংবাদিক শিবলী চৌধুরী কায়েস, ইলিয়াস খসরু, বাংলা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও বার্তা সংস্থা ইউএনএ’র সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, রাজনীতিক নূরে আলম জিকো, চ্যানেল ৫২-এর প্রেসিডেন্ট এনাম চৌধুরী, সিইও ফারাহ হাসিন, আলোকচিত্রী সাংবাদিক এ হাই স্বপন, আজকাল-এর বাণিজ্যিক প্রধান আবুবরক সিদ্দিক, সাপ্তাহিক আওয়াজ সম্পাদক শাহ আহমেদ সাজ, ঢাকার বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার জিয়াউল হক সবুজ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট অসিত চৌধুরী, হেলাল উদ্দিন, লেখক-গীতিকার ইশতিয়াক রূপু, সাংবাদিক মনিজা রহমান, কবি রওশন হাসান, টিবিএন ২৪-এর সাংবাদিক সুলতানা রহমান, প্রথম আলো নিউইয়র্কের বিশেষ প্রতিনিধি সাহেদ আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. আবুল কাশেম, রূপসী বাংলার সাংবাদিক শাহ জে চৌধুরী, সাংবাদিক তোফাজ্জল লিটন, শরীফুল হক মঞ্জু, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট জীবন শফী, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ, সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন জয় প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here