উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে মার্কিন সেনা ঘাঁটি স্থাপন!

0
20

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: নজিরবিহীনভাবে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে মার্কিন সেনা ঘাঁটি স্থাপন করা হলো! টানা গত ৭০ বছর ধরে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে জেঁকে বসেছিল আমেরিকা। কোরিয়ায় মার্কিন সেনা দপ্তর ছিল সিউলেই, সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এবার নতুন ঠিকানা। আর সিউল নয়, এবার পিয়ংটেক। উত্তর কোরিয়ার সীমানার কাছে সেনা ছাউনির শহর পিয়ংটেক।

সিউলের দক্ষিণে ৭০ কিলোমিটার দূরে হোমফেরি ক্যাম্প। সেখানেই আমেরিকার নতুন ঘাঁটি। কয়েকদিন আগেই সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার পরমানু কার্যকলাপ নিয়ে বৈঠকে বসেন ট্রাম্প-কিম। বৈঠকের পরই সমস্ত শত্রুতা ভুলে কিমকে আপন করেন ট্রাম্প।

জানান, আর ভয় নেই, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু হুমকি পাবে না আমেরিকা। সেই উত্তর কোরিয়া সীমান্তের কাছে জাঁকিয়ে বসল মার্কিন সেনা। পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা ধীরে ধীরে আসা শুরু করেছে। জুলাই মাসের মধ্যেই সিউল খালি করবে আমেরিকা।

শুক্রবার পিয়ংটেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হল মার্কিন হেড কোয়ার্টারের। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সিউলের ইয়ংসানে আসে আমেরিকান বাহিনী। দক্ষিণ কোরিয়া-আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক ৭০ বছরের এই হেড কোয়ার্টার। প্রতিরক্ষামূলক বিভিন্ন খাতে উভয়পক্ষই বিনিয়োগের হাত বাড়িয়েছে। পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা দপ্তর গঠনে ৯০ শতাংশ আর্থিক বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

সেনা হেড কোয়ার্টার উদ্বোধনের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায় ইন জানান, সেনা দপ্তর বদলে গেলেও প্রতিরক্ষা পেরিয়ে আমেরিকা-দক্ষিণ কোরিয়ার বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে।

নতুন সেনা দফতের মোট ২৮,৫০০ মার্কিন সেনা থাকবে। কিছু সেনা থাকবে দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু শহরে। পিয়ংটেকের কাছের শহর উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং। কয়েকদিন আগেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার শত্রুতার বরফ গলেছে। পরমাণু কার্যকলাপ নিয়ে ট্রাম্পকে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন কিম। ঘটনার এক মাসের মধ্যেই সিওলের বদলে পিয়ংটেকে মার্কিন সেনা দপ্তরের বদল।

প্রশ্ন উঠছে, কিমের উপর নজর রাখতেই কি পিয়ংটেক বাছা হল? না কি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করাই আমেরিকার লক্ষ্য? অবশ্য, এখনও সিউল ছাড়ার সঠিক কারণ জানায়নি আমেরিকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here