কমনওয়েলথের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ

0
8

ঢাকা: রোহিঙ্গা ইস্যু কমনওয়েলথের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন ঢাকা সফররত কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড।

বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে কমনওয়েলথের সম্ভাবনা শীর্ষক বক্তৃতা শেষে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেওয়ায় কমনওয়েলথ বাংলাদেশের প্রশংসা করে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ওই অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথের সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে এর সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, কমনওয়েলথ সংস্কার ও পূণর্জাগরণের মাধ্যমে এর সম্ভাবনা ও সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশ আগামী দিনের কমনওয়েলথের কথা ভাবছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বদলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও বদলেছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভূমিকা, মূল্যবোধ ও কমনওয়েলথের কাছে প্রত্যাশারও বিবর্তন ঘটছে। তবে কমনওয়েলথের কাজকর্মের ধরণ, অগ্রাধিকার বদলায়নি। এ কারণে কমনওয়েথের সংস্কার অপরিহার্য।

কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেন, কমনওয়েলথের ৫৩টি দেশের মধ্যে বহুপক্ষীয় বাণিজ্য সংযোগ স্থাপিত হলে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়ে দুই ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে।

কমনওয়েলথ মহাসচিব বাণিজ্য, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলোও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এক দশক আগে তারা হিসাব করেছিলেন যে ২০২০ সালের মধ্যে কমনওয়েলথ অঞ্চলে বাণিজ্যের পরিমাণ ৭০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়া উচিত। এখন তারা ২০৩০ সালের মধ্যে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে ভিসা সহজীকরণের ওপর জোর দেন। বিআইআইএসএস চেয়ারম্যান মুনশি ফয়েজ আহমেদ ও মহাপরিচালক এ কে এম আবদুর রহমানও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here