টেরেসা মে হত্যা ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতর যাবজ্জীবন

0
7

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-কে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিট্রিশ যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। অভিযুক্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ যুবকের নাম নাঈমুর জাকারিয়া রহমান (২১)। শুক্রবার আদালতে রায়ের তাকে কমপক্ষে ৩০ বছর কারাগারে রাখার আদেশ দেন বিচারক। তিনি গত মাসে সন্ত্রাসী পরিকল্পনার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। তবে এর আগে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন তিনি। ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে ঢুকে বোমা মেরে এবং পরবর্তীতে ছুরিকাঘাতে বা গুলি করে টেরেসা মে-কে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এই সাজা দেয়া হয়। খবর- বার্মিংহামমেইলের।

গত বছরের নভেম্বরে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ফাইভের সন্ত্রাস দমন কর্মকর্তাদের একটি ছদ্মবেশী অভিযানে তাকে আটক করা হয়। প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র ছাড়াও তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদ ইমরান নামে এক যুবককে আইএসে যোগ দিতে সাহায্যের অভিযোগ রয়েছে। হামলা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাইমুর গত নভেম্বরে হোয়াইট হলের আশপাশ ঘুরে দেখেন এবং বিস্ফোরক নিতে একটি ব্যাগ তিনি ছদ্মবেশি একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দেন।

পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা নকল বিস্ফোরক ভরে ওই ব্যাগ ও একটি জ্যাকেট নাইমুরকে দেন। ব্যাগটি নিতে গিয়েই ধরা পড়েন নাইমুর। হামলা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে নাইমুর রাহমান সামাজিক মাধ্যমে একজন আইএস সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি জানতেন না যে তিনি যার সঙ্গে কথা বলছেন তিনি আইএস সদস্যের ছদ্মবেশে থাকা একজন এফবিআই এজেন্ট। ওই এফবিআই সদস্যই এমআই ফাইভের একটি টিমের সঙ্গে নাইমুরকে পরিচয় করিয়ে দেন। তারা নাইমুরকে বুঝিয়েছিলেন যে, তারা প্রকৃতপক্ষেই আইএস সদস্য।

নাইমুর রাহমান এমআই ফাইভের ওই সদস্যদের জানান, তিনি পার্লামেন্টে আত্মঘাতী হামলা চালাতে চান। তিনি টেরেসা মে-কে হত্যা করতে চান। তবে নাইমুর রাহমানের আইনজীবীর দাবী, তাকে তার চাচা ব্রেইনওয়াশ করেছে। তিনি তাকে এ ধরনের হামলায় উৎসাহ দিয়েছেন। সিরিয়ায় গিয়ে আইএসে যোগ দেন নাইমুরের ওই চাচা। সিরিয়ায় আইএসের হয়ে লড়াইয়ে একটি ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here