মুনা ও ইকনা জামাতের স্বার্থে কাজ করে কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস মুনা ও ইকনা‘কে আর্থিক সাহায্য বন্ধের দাবী করছেন কংগ্রেসে

বর্ণমালা নিউজ: আমেরিকায় বাংলাদেশের জামায়েতে ইসলামীর পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করতেই ‘দ্য মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা’ (মুনা) এবং তার আগে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা (ইকনা)র সৃষ্টি হয়েছিলো- একথা বিভিন্ন সময়ে বলা হলেও সংগঠন দুটির নেতা-কর্মীরা কখনও সেটা স্বীকার করতেন না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইউএস কংগ্রেসের কয়েকটি রিপোর্টে মুনা ও ইকনা‘র সাথে বাংলাদেশের জামাতের সংশ্লিষ্ঠতার কথা উঠে এসেছে।

কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস

ইন্ডিয়ানার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকসের সম্প্রতি কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চরমপন্থী দলগুলোকে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। ঐ প্রস্তাবে ধর্মভিত্তিক ওই রাজনৈতিক শক্তিকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলেও তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে দলটির সক্ষমতার ভিত্তিমূলে আঘাত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে ওই প্রস্তাবে।
রিপাবলিকান দলীয় এই কংগ্রেসম্যানের আনা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ও এর বাইরে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব প্রতিষ্ঠানে ইউএসএআইডি, স্টেট ডিপার্টমেন্ট, হোমল্যান্ড সিকিউরিটিজসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য সংস্থার তহবিল সরবরাহ বন্ধ করারও দাবি জানানো হয়েছে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা, আইসিএনএ রিলিফ, হেল্পিং হ্যান্ড ফর রিলিফ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, দ্য মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা।

রিপাবলিকান দলীয় এই কংগ্রেসম্যানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রেও জামায়াতে ইসলামীর ভাবধারা পোষণ করে; এমন অনেক সংগঠন রয়েছে, যারা তহবিল সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত। এক্ষেত্রে তিনি উদাহরণ হিসেবে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা, দ্য মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা ও শেয়ার লিডারশিপের নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব সংগঠন খোলাখুলিভাবেই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা, ধর্মীয় চরমপন্থার বিস্তার এবং জামায়াতে ইসলামীসহ সংশ্লিষ্ট মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের জন্য হতাশাব্যঞ্জক। প্রস্তাবে বলা হয়, ধর্মীয় চরমপন্থা ও জঙ্গিবাদের বাড়বাড়ন্ত রোধে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।

ইন্ডিয়ানার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাংকস কংগ্রেসে এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। এতে বিএনপি-সহ বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য চরমপন্থী সংগঠনের সংস্পর্শ থেকে দ্ব্যর্থহীনভাবে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবে দক্ষিণ এশিয়ায়, বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় দলগুলোকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আল কায়েদা ও তালেবানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের যোগাযোগ রয়েছে। এই দলটি এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত চরমপন্থী দলগুলো দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। ফলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সহিংসতার গুরুতর ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের এক প্রস্তাবেও দ্ব্যর্থহীনভাবে জামায়াতে ইসলামীর কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে বিএনপিকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
কংগ্রেসম্যান ব্যাংকস বলেন, বাংলাদেশের আইনজীবী ও বিরোধী রাজনীতিক কামাল হোসেন প্রকাশ্যেই বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রিপাবলিকান দলীয় এই কংগ্রেসম্যানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রেও জামায়াতে ইসলামীর ভাবধারা পোষণ করে; এমন অনেক সংগঠন রয়েছে, যারা তহবিল সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত। এক্ষেত্রে তিনি উদাহরণ হিসেবে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা, দ্য মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা’ ও শেয়ার লিডারশিপের নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব সংগঠন খোলাখুলিভাবেই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা, ধর্মীয় চরমপন্থার বিস্তার এবং জামায়াতে ইসলামীসহ সংশ্লিষ্ট মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের জন্য হতাশাব্যঞ্জক। প্রস্তাবে বলা হয়, ধর্মীয় চরমপন্থা ও জঙ্গিবাদের বাড়বাড়ন্ত রোধে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।

মার্কিন পার্লামেন্টে উত্থাপিত প্রস্তাবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ও দলটির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত চরমপন্থী দলগুলোর অব্যাহত হুমকি মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা যেন উপড়ে ফেলা হয়। এছাড়া বিএনপিসহ বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ও এর বাইরে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব প্রতিষ্ঠানে ইউএসএআইডি, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর, হোমল্যান্ড সিকিউরিটিজসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য সংস্থার তহবিল সরবরাহ বন্ধ করারও দাবি জানানো হয়েছে প্রস্তাবে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা, আইসিএনএ রিলিফ, হেল্পিং হ্যান্ড ফর রিলিফ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, দ্য মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here