নিউইয়র্কে নতুন প্রজন্মের মুখে বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধুর কথা

ইউএনএ (নিউইয়র্ক): বাংলাদেশের জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আগামী ১৭ মার্চ আয়োজন করতে যাচ্ছে শিশু কিশোর মেলার। জ্যাকসন হাইটের পাবলিক স্কুল-৬৯ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরতে গত ৮ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের জ্যুইশ সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও মেলার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পরদিন আয়োজন করা হয় নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণে ‘লিভিং ইন হাইফেন’ শীর্ষক ব্যতিক্রমী আলোচনার। ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী বাংলাদেশে ‘জাতীয় শিশু কিশোর’ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

শিশু-কিশোর মেলার সমন্বয়কারী সেমন্তী ওয়াহেদের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে শিশু কিশোর মেলার আহবায়ক ড. নজরুল ইসলাম এবং মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এসময় জানানো হয়, শিশু কিশোর মেলায় বাংলা লিখন ও রচনা, চিত্রাঙ্কন, নৃত্য, অভিনয়, আবৃত্তি, সঙ্গীত এবং ফটোগ্রাফীর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ মার্চ, রোববার সকাল এগারোটা থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণের জন্য ঐ মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অথবা যঃঃঢ়://নরঃ.ষু/ুঢ়ভবংঃরাধষ২০১৯ এই লিঙ্কে রেজিস্ট্রেশন করার আনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে শিশু কিশোর মেলার কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে ‘লিভিং ইন হাইফেন’ নামে আরো একটি ব্যতিক্রমী আলোচনার আয়োজন করা হয় গত ৯ মার্চ শনিবার বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের জ্যুইশ সেন্টারে ব্যতিক্রমী এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন। সেমন্তী ওয়াহেদের সঞ্চালনায় এবং নুতন প্রজন্মের বাংলাদেশী-আমেরিকান তরুণ-তরুনীরা অংশগ্রহণ করে। যাদের মধ্যে ছিলেন অ্যাসেম্বলীওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ-এর অফিসের লিয়াজো কর্মকর্তা আফসানা আক্তার, সিটি কাউন্সিল মেম্বার ব্রাড ল্যান্ডার-এর অফিসের কমিউনিটি ডিরেক্টর শাহানা হানিফ, ঝাল এনওয়াইসির কো-ফাউন্ডার মাহফুজুল ইসলাম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ডা. সায়েমা খন্দকার ও ডা. ইলোরা রফিক এবং ব্রাউন গার্ল ম্যাগাজিনের ম্যানেজার তানিয়া রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে। এতে অংশ নেয় জারিন মাইশা, আবিবা ইমাম, দ্যুতি, সুস্বনা চৌধুরী, আলী ময়ুরী, চন্দ্রিমা দে প্রমুখ।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশী-আমেরিকান হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বেড়ে ওঠা, সমাজের অন্যদের সাথে তাদের আদান প্রদানের বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন। যাতে উঠে আসে তাদের তিক্ত এবং মিষ্ট-মিশ্র অনেক অভিজ্ঞতার কথা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here