আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সম্মাননা পেল ‘বিপা’

বর্ণমালা ডেস্ক: নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশী পরিচালিত সাংষ্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা)’কে বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করেছে ‘সোসাইটি অব ফরেন কনসালস’ । আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৯ উপলক্ষ্যে ‘সোসাইটি অব ফরেন কনসালস’ বিভিন্ন দেশের অভিবাসী নারীদের সংবর্ধনা প্রদান করে।

গত ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বহুজাতিক এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কনস্যুলেট জেনারেলসমুহ একইসাথে তাদের স্ব স্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও সংস্কৃতি তুলে ধরে। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানটি ম্যানহাটানের ফিলিপিন কনস্যুলেট জেনারেল এর কালায়্যান হলে অনুষ্ঠিত হয়।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষা, ব্যবসা ও সরকার-এ তিনটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং দৃশ্যমান অবদানের জন্য অংশ গ্রহণকারী ১৯টি দেশের বিশিষ্ট নারীকে আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা)’কে বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নিউইয়র্কে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিপা বর্তমানে চারটি শাখায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সোসাইটির সভাপতির কাছ থেকে সম্মাননা এবং বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা’র হাত থেকে বিশেষ উপহার গ্রহণ করেন বিপার পক্ষে সেলিমা আশরাফ। প্রত্যেক দেশের মনোনীত প্রার্থীকে স্ব স্ব দেশের কনসাল জেনারেল এবং সোসাইটির সভাপতির উপস্থিতিতে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পরিচায়ক হস্তশিল্প সামগ্রীসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে সুসজ্জ্বিত স্টলে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার (পাকোরা ও সিংগারা) স্থান পায় যা বিপুলসংখ্যক বিদেশী অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার অংশ হিসেবে দেশাত্মবোধক গানের সাথে দৃষ্টিনন্দন দলীয়নৃত্য উপস্থাপন করেন বিপার শিল্পী জেরিন মাইশা। বিভিন্ন দেশের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক পর্বটি অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কর্তৃক এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমেরিকার প্রসাশনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশী কূটনীতিক ও সুশীল সমাজের সদস্যদের কাছে বাংলাদেশের বিশেষ করে প্রবাসী বিশিষ্ট নারীদের অবদানসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও সংস্কৃতি উপস্থাপনের সুযোগ ঘটে। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এর স্ত্রী ফাহমিদা জেবীন, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি’র স্ত্রী আলিয়া নাজমানূর, কনস্যুলেট জেনারেল এর কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সোসাইটি ফর ফরেন কনসালস নিউইয়র্ক ভিত্তিক
কনস্যুলেট, কনস্যুলেট জেনারেল এবং অনারারি কনস্যুলেটগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম কনস্যুলার কোর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here